সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করলেই এখন দেখা যায় প্রতিটি ব্যক্তিগত আইডি থেকে ৮০ দশকের ছবি। জিন্সের জ্যাকেট, চোখের সানগ্লাস কিংবা মোটা ফ্রেমের চশমা পরানো নিজস্ব অবয়বে মেতে উঠেছে দেশের তরুণ সমাজ।
 

এমনকি এই ট্রেন্ডে পিছিয়ে নেই দেশের সিনিয়র সিটিজেনরাও। তবে এসব ছবির পেছনে আমাদের সাইবার নিরাপত্তা কি হতে পারে আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি? এআই চালিত অ্যাপের মাধ্যমে এক ক্লিকেই  বদলে যাওয়া ছবিগুলো দেখতে যতটাই বিনোদনমূলক, এর ভেতরের গল্পকাহিনীটা ততটাই উদ্বেগজনক। আপাতদৃষ্টিতে এই ট্রেন্ডের আড়ালে বাংলাদেশ কি অজান্তেই বিশাল এক ডিজিটাল ও বায়োমেট্রিক নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়ছে? প্রশ্ন থেকেই যায়...।
 


আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ভয় হলো ‘ফেশিয়াল বায়োমেট্রিক’ তথ্য লিক হওয়া। জেমিনি বা এআই টুলস এ আমরা কেবল একটি সাধারণ ছবি আপলোড করছি বলে ধারনা করছি। প্রকৃতপক্ষে আমাদের মুখাবয়বের হাজারো সূক্ষ্ম জ্যামিতিক নকশা তুলে দিচ্ছি বিভিন্ন বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হাতে। ভবিষ্যতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ‘ফেস লক’, মোবাইল ফোন আনলক কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনে যখন এই ফেস-রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দেওয়া হবে, তখন আজকের ফ্রিতে বিলিয়ে দেওয়া এসব ফেশিয়াল ডেটাই হতে পারে আমাদের জন্য মারাত্মক নিরাপত্তার হুমকি।

আজ যে এআই মডেলকে আমরা স্পষ্ট ছবি দিয়ে নিখুঁত ফেস-ম্যাপিং শেখালাম, কাল সেই ডেটা দিয়েই তৈরি হতে পারে অত্যন্ত নিখুঁত ‘ডিপফেক’ ভিডিও। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ইতোমধ্যেই সাইবার অপরাধীরা এমন এআই-জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে মানুষকে সামাজিকভাবে হেনস্তা কিংবা অর্থ ব্ল্যাকমেইল করছে। নারীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। সাধারণ একটি সেলফি থেকে তৈরি ডিপফেক ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রোফাইল খুলে মুহূর্তের মধ্যে যে কারও পারিবারিক ও সামাজিক জীবন বিষিয়ে দেওয়া সম্ভব।
 

যেমন বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী তানজিন তিশা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনের আলোচিত নারী ব্যক্তিদের (যেমন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অ্যাক্টিভিস্ট ফারজানা সিঁথি) ডিপফেইক ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও বুলিংয়ের শিকার হতে দেখা গেছে। ভরতের ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটির গবেষক সুধাকর তিওয়ারি ২০২৫ সালে তার একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন ডিপফেইক ছবি, অডিও বা ভিডিও ব্যবহার করে অফিসের সিইও বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের কণ্ঠস্বর নকল করে অননুমোদিত ব্যাংকিং লেনদেনও সম্পন্ন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির ২০২২ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, সাইবার অপরাধীরা ডিপফেক অডিও প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোম্পানির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার -এর কণ্ঠস্বর নকল করে তারা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সরাসরি নির্দেশ দিয়ে বড় অঙ্কের অননুমোদিত ব্যাংক ট্রান্সফার করিয়ে বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। কারপভ ২০১৯ সালে তার একটি গবেষণায় বলেছেন, কণ্ঠস্বর ক্লোন করে তৈরি ভুয়ো অডিও রেকর্ড ফিশিং প্রতারণার ফাদ তৈরি করে মানুষকে চরম বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

দ্য ব্যাটল এগেইনস্ট এআই-ড্রিভেন আইডেন্টিটি ফ্রড'র রিপোর্ট অনুসারে, গত তিন বছরে ডিপফেক জালিয়াতির চেষ্টা ২,১৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যা মোট রেকর্ডকৃত জালিয়াতির ০.১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। এন্ট্রাস্ট আইটি ২০২৫ সালে তাদের 'আইডেন্টিটি ফ্রড রিপোর্ট’- এ বলেছেন বিশ্বজুড়ে বর্তমানে গড়ে প্রতি ৫ মিনিটে একটি করে ডিপফেক আক্রমণ সংঘটিত হচ্ছে। ২০২২ সালে নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা সেনসিটির রিপোর্টে দেখা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ব্যাংকে ব্যবহৃত লাইভনেস টেস্ট ব্যবস্থাগুলো সাধারণ ও সহজে লভ্য এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব সহজেই বাইপাস বা প্রতারিত করা সম্ভ হচ্ছে।
 

অপরাধীরা শুধু এখানে এতটুকুতেই থেমে থাকেন না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া নগ্ন ছবির ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল বা অর্থ আদায়ের প্রবণতা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকিতে এক কিশোর আত্মহত্যা করার পর বিষয়টি ফের আলোচনায় আসে। ওই কিশোরের নামে একটি এআই-জেনারেটেড নগ্ন ছবি বানিয়ে সাইবার চক্রটি ৩ হাজার ডলার দাবি করে। এতেই মানসিক চাপে পড়ে কিশোরটি আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। যেটাকে ‘সেক্সটর্শন’ নামের ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল বলা হয়। যেখানে কিশোরীদের ব্ল্যাকমেইল করতে নুডিফাই টুল বা সাইট ব্যাবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিকেটর’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী এ ধরনের ৮৫টি সাইটের বার্ষিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। মাত্র ছয় মাসে এর ১৮টি সাইট ২.৬ মিলিয়ন থেকে ১৮.৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এসব সাইট অনেক সময় গুগল, অ্যামাজন ও ক্লাউডফ্লেয়ারের সেবাও ব্যবহার করছে। গত বছর ফেইসবুক কোম্পানি মেটা, হংকংভিত্তিক ‘ক্রাশ এআই’ নামের একটি নুডিফাই অ্যাপের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, যারা নিয়ম ভেঙে মেটার প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন চালাচ্ছিল। স্পেনের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন তরুণের একজন এআই-ডিপফেক পর্নোগ্রাফির শিকার হয়েছেন। এমনকি ২০২৫ সালের শুরুতে দেশটির একটি স্কুলে তিন কিশোর সহপাঠী ও শিক্ষকদের এমন ছবি বানিয়ে ছড়িয়ে দেয়।

চেক প্রজাতন্ত্রের পালাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কামিল কোপেকি তার গবেষণা পেপারে অনলাইন ব্ল্যাকমেইলের (সেক্সটোরশন) একটি গুরুতর ঘটনা উল্লেখ করেছেন। যেখানে ১৫ বছর বয়সী এক কানাডিয়ান কিশোরীর গোপন ছবি হাতিয়ে নেয় একটি চক্র। এর এক বছর পর, ওই অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ব্ল্যাকমেইল করে হুমকি দেয় যে, সে যদি ওয়েবক্যামের সামনে পুরোপুরি উলঙ্গ না হয়, তবে তার পূর্বে সংগৃহীত ছবিটি ইন্টারনেটে প্রকাশ করে দেওয়া হবে। মেয়েটি তাদের দাবি মানতে অস্বীকার করে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্ল্যাকমেইলার ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে, যেখানে মেয়েটির সেই ছবিটি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করে তা সর্বসমক্ষে প্রকাশ করে দেয়।


ছবিটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার কারণে মেয়েটি পরবর্তী প্রায় তিন বছর ধরে তীব্র বুলিং ও সাইবারবুলিংয়ের শিকার হয়। সে ইউটিউবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের ওপর ঘটা এই নির্মম পরিস্থিতির কথা প্রকাশ করে এবং শেষ পর্যন্ত মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। আর এসবের পেছনে যেমন একটি চক্র কাজ করে তেমনি বিভিন্ন থার্ডপার্টি অ্যাপও ফাঁদ পেতে বসে থাকে। এই বিনামূল্যে সেবা দেওয়া ফ্রি অ্যাপগুলোর 'টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে' লেখা থাকে, আমাদের আপলোড করা ডেটা তারা এআই মডেল প্রশিক্ষণে বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিক্রি করতে পারবে। অর্থাৎ আমরা নিজেই নিজের ডেটা তাদের কাছে পণ্য হিসেবে বিক্রি করার আইনি অনুমতি দিয়ে দিচ্ছি। এসব আন্তর্জাতিক সার্ভারে ডেটা জমা হওয়ার পর তা ডার্কওয়েবে কেনাবেচা করতে পারে। পরবর্তী সময়ে এই বিশাল ফেস-ডেটাবেজ ব্যবহার করে ফিশিং স্ক্যাম, ভুয়া পরিচয় বানিয়ে আর্থিক প্রতারণা কিংবা যেকোনো রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিগত সাইবার অপরাধে সাধারণ নাগরিকদের ছবি আইডেন্টিটি হিসেবে ব্যবহার করা মোটেও অসম্ভব নয়।

এগুলোর বাস্তব উদাহরণ হলো বাংলাদেশী ৫ কোটি নাগরিকের আইডিকার্ডের তথ্য ফাঁসের ঘটনা।  ২০২৩ সালের জুলাই মাসে মার্কিন প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ-এর একটি প্রতিবেদনে প্রথম প্রকাশ পায় যে, বাংলাদেশের একটি সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নাগরিকদের নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সময়ে জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ অন্তত ৫টি পার্টনার প্রতিষ্ঠান নাগরিকদের এই এনআইডির তথ্য ফাঁসের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল। যেখানে সরকারি ওয়েবসাইট আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও নিরাপদ না সেখানে আমরা হরহামেশায় তথ্য দিয়ে দিচ্ছি।

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সাইবার সিকিউরিটি ল্যাবের গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, ছবি এডিটিং অ্যাপগুলোর প্রধান ব্যবসা হলো ‘ডেটা স্ক্র্যাপিং’। ব্যবহারকারীরা যখন বিনামূল্যে কোনো অ্যাপ ব্যবহার করে একাধিক ছবি আপলোড করেন, তখন মূলত সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যালগরিদম ফ্রিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখের গঠন, ত্বকের উজ্জ্বলতা, চোখের দূরত্ব এবং এক্সপ্রেশনের মতো ‘বায়োমেট্রিক ডেটা’ সংগ্রহ করে। এই বিশালাকার ডেটাবেজ দিয়ে তারা নিজস্ব জেনারেটিভ এআই মডেলকে প্রশিক্ষিত করে তোলে, যা পরবর্তীতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হয়।
 

ওয়াশিংটন ডেটা প্রাইভেসি ওয়াচডগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকাংশ এআই ফেস-এডিটিং অ্যাপের 'শর্তাবলী' (টার্মস এন্ড সার্ভিস) এমনভাবে লেখা হয় যেখানে স্পষ্ট বলা থাকে ব্যবহারকারী তাঁর ছবির সব স্বত্ব অ্যাপটিকে দিচ্ছেন এবং কোম্পানি যেকোনো উদ্দেশ্যে (যেমন: বিজ্ঞাপন, অ্যালগরিদম ডেভেলপমেন্ট বা থার্ড-পার্টি ডেটা ব্রোকারের কাছে বিক্রি) এই ডেটা ব্যবহার করতে পারবে। ব্যবহারকারী 'এগ্রি' বাটনে ক্লিক করে নিজের পার্সোনাল প্রাইভেসি বিকিয়ে দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা কার্সপারস্কির প্রধান সিকিউরিটি এনালিস্টদের মতে, "একটি ভালো মানের বায়োমেট্রিক ডেটাবেজ সাইবার অপরাধীদের জন্য সোনার খনি। আজকের এই ক্লিয়ার ফেস-ম্যাপ কাল আমাদের অনুপস্থিতিতে ডিপফেক ভিডিও বা ভয়েস-ফেক তৈরিতে ব্যবহার করা সম্ভব, যা দিয়ে সরাসরি ফিন্যান্সিয়াল স্ক্যাম কিংবা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাটাক চালানো যায়।"

ইউরোপীয় ডেটা প্রোটেকশন বোর্ডের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আঙুলের ছাপ যেমন বদলানো যায় না, তেমনি মুখের নিজস্ব বায়োমেট্রিক গঠনও কখনো পরিবর্তনযোগ্য নয়। যদি এই ডেটা কোনোভাবে ডার্কওয়েবে ফাঁস হয় বা হ্যাক হয়, তবে ভবিষ্যতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ই-পাসপোর্ট কিংবা ফেস-আইডি সিকিউরিটি পুরোপুরি অনিরাপদ হয়ে পড়বে। একবার বায়োমেট্রিক ডেটা হাতছাড়া হলে তা পুনরুদ্ধার বা রিসেট করার কোনো উপায় থাকে না।
 

আন্তর্জাতিক তথ্য ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, থার্ড-পার্টি এসব ফ্রি অ্যাপ মূলত ‘ডেটা ব্রোকারদের’ মাধ্যমে বিশাল অংকের মুনাফা তৈরি করে। অ্যাপগুলোর ডেভেলপমেন্ট সেন্টার প্রায়ই এমন সব দেশে অবস্থিত থাকে যেখানে কড়া প্রাইভেসি আইন প্রযোজ্য নয়। ফলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো থেকে সংগৃহীত কোটি কোটি মানুষের বায়োমেট্রিক তথ্য সহজেই বিদেশে পাচার হয়ে যায়। পরবর্তীতে এসব তথ্য ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা ভুয়া সামাজিক অ্যাকাউন্ট তৈরি, নারীদের টার্গেট করে ডিপফেক এবং ব্যাংক রিলেটেড ফিশিং অপরাধ সংঘটিত করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের এই অনিয়ন্ত্রিত প্রবণতা  মোকাবেলায় যদি আমরা সচেতন না হই তবে সাধারণ মানুষের ডিজিটাল অস্তিত্ব ও মৌলিক নিরাপত্তা চিরতরে হুমকির মুখে পড়বে।
 


লেখক: মো. মোফাজ্জল হক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।