ছবি: সিলেট ভিউ।

সিলেটের কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের বিকাশে নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 


শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ‘সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।


 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'সিলেটের সিএমএসএমই শিল্পকে বেগবান করতে দক্ষিণ সুরমায় ১৮৮ একর জমির ওপর একটি নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, চলতি বছরই যার উন্নয়নকাজ শুরু হবে।'

 

ব্যবসা সহজীকরণ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'নতুন কোম্পানি গঠন, ট্রেড লাইসেন্স, ক্লিয়ারেন্স, আইআরসি এবং মেশিনপত্র আমদানির এলসি খোলাসহ ব্যবসা শুরুর বিভিন্ন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব প্রক্রিয়ার সময়সীমা আগের ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে ১৪ কর্মদিবসে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা চলছে।'


সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল মনিম মল্লিক মুন্না এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বিপিএম, সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, সিলেট ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল করিম নাচন।


শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি পাবেল।


অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আতাউর রহমান, জহিরুল কবির চৌধুরী শিরু, এহতেশামুল হক চৌধুরী শিরু, হাজী মো. রইছ আলী, আতাউল্লাহ সাকের, মো. জহির হোসেন তুহিন, ফুয়াদ বিন রশীদ, মোহাম্মদ আনিছ, ছাউল্লাহ ফাহিম, সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ, মো. আব্দুর রহমান দুদু, মো. আমির হোসেন, হুমায়ুন আহমেদ মাসুক, মো. আনোয়ার হোসেন, কিবরিয়া হোসেন নিঝুম, মো. আলী আকিক, মাছুম ইফতেখার রসুল শিহাব, আবুল কালাম, খালেদ আহমদ, ওলিউর রহমান, সাহেদ আহমদ, শাহ জাকের আহমদ, আতিকুর রেজা চৌধুরী, মদন মোহন কর্মকার, সহ সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, আমিনুল ইসলাম বেলাল, মঞ্জুর আহমদ, সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, মো. রূপন খান, জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম সাকির, সুলতান আহমদ খান, মো. শাহজাহান মিয়া, শহীদুল হক, আখতার চৌধুরী রুবেল, মো. ফরহাদুজ্জামান, সুয়েব আহমদ অভি, মো. নুরুজ্জামান সিদ্দিকী, শাহ ইমরান আহমদ, মীর মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ কাদির, মো. সাহিদুল হক সুহেল, রিয়াজ আহমদ, রাসেল আলী, জাকারিয়া আহমদ, আবু সাইদ তায়েফ, নিহার কুমার রায়, মো. মারুফ, মো. মতিয়ার রহমান, আলী হায়দার মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমদ সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুর রহমান, মো. সাবুল মিয়া, হাসান কবির চৌধুরী, কাওসার আহমদ রবি, রেজাউল হক রেজু, সৈয়দ রাজন আহমদ, মো. আব্দুল কাদির, মো. নাফিস জুবায়ের চৌধুরী, সুহিন আহমদ, মো. শফিক নুর, মো. শাহজাহান, সাহেদ বক্স, জিয়াউর রহমান খান চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক তাহমিদুল হাসান জাবেদ, সহ অর্থ সম্পাদক রিয়াদ রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সহ সাহিত্য ইমদাদ উল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আহমেদ সৌম নওশাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক মারুফ আহমদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক আবু খালেদ চৌধুরী, সহ ক্রীড়া সাইদুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামাল আহমদ, সহ সাংষ্কৃতিক সম্পাদক আহসান হাবিব, মিহির রঞ্জন দাস, সমাজ কল্যাণ মনোয়ার হোসেন মুন্না, দেলোয়ার হোসেন জয়, সহ আইন সম্পাদক হাজী শাহজাহান, মো. জাকির হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রঞ্জিত দেবনাথ ময়না, সহ তথ্য মাছুম আল মাহদি, যোগাযোগ সম্পাদক হুমায়ুন কবির লিটন, সহ যোগাযোগ সম্পাদক আব্দুল কাহির খছুরু, আপ্যায়ন সম্পাদক ইমাম উদ্দিন কামাল, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আছমাউল হুসনা খান, ফেরদৌসী আব্দাল, চৌধুরী তাহমিনা নুর, ফারজানা আব্দাল খান, সদস্য আব্দুল বাছিত, মো. তাজুল ইসলাম, শেখ মো. জুনেদ আহমদ, মোহাম্মদ মাহবুব, মো. ওয়াজ্জদ খান সুয়েব, আবু ইকবাল খান, মো. মাহি উদ্দিন, বাহার চৌধুরী, আব্দুল খালিক খান রহিম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন সংগঠনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফিরোজ উদ্দিন এবং গীতা পাঠ করেন যুগ্ম সম্পাদক রতন দে।


২য় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচিত একটি প্রতিনিধির মাধ্যমে সিলেট চেম্বার অব কমার্স গঠন করা হউক। যেভাবে আজকে মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ দেখিয়ে দিয়েছে, তারা সিলেট চেম্বার অব কমার্স থেকে কোনো অংশে কম নয়। মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ যদি পারে, তাহলে সিলেট চেম্বার অব কমার্স কেন পারবে না?


সিলেট একটি রাজনৈতিক সম্প্রীতির নগরী। সিলেট একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির নগরী। কাজেই এখানে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি হওয়ার কথা নয়। কোন কোন সেক্টরে কীভাবে সহযোগিতা করলে আপনাদের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তা দেখা প্রয়োজন। এখানে অসময়ে মেলা হয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। আমি মনে করি এটাও একটি শৃঙ্খলার ভেতরে নিয়ে আসা উচিত। এভাবে না হলে ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে উৎসাহ হারাবে।


২য় অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেডের পরিচালক মো. বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শ্যামা হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম সম্পাদ ইশতিয়াজ আহমদ সিদ্দিকী, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আমিরুজ্জামান চৌধুরী দুলু, সিলেট চেম্বারের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সামাদ তুহেল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ। এছাড়াও সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিলেটের মহানগরীর অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন মার্কেটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/আশিক-১৩