সারাদেশের ন্যায় মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

শান্তিপূর্ণ ভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের উদ্যোগে দফায় দফায় আয়োজকদের নিয়ে বৈঠক হচ্ছে।


পূজা মন্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় প্রশাসনের পাশাপাশি আয়োজকদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

জুড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ডা. পিংকু দাস জানান, এবছর জুড়ী উপজেলায় ৭৬টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হবে। এর মধ্যে ৭১টি সার্বজনীন ও ৫টি ব্যক্তিগত। উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নে ১১টি সার্বজনীন, পূর্বজুড়ী ইউনিয়নে ৬টি সার্বজনীন, সাগরনাল ইউনিয়নে ৯টি সার্বজনীন ও ১টি ব্যক্তিগত, গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নে ১০টি সার্বজনীন ও ১টি ব্যক্তিগত, জায়ফরনগর ইউনিয়নে ১২টি সার্বজনীন ও ১টি ব্যক্তিগত এবং পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নে ২৩টি সার্বজনীন ও ২টি ব্যক্তিগত পূজামণ্ডপ রয়েছে। পঞ্জিকামতে, ২০২৬ সালে দুর্গা দেবী ঘোড়ায় আগমন এবং নৌকায় গমন করবেন।

১৭ অক্টোবর মহাসপ্তমীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পূজাকে ঘিরে এরই মধ্যে সনাতনীদের মধ্যে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। শহর থেকে গ্রামের মন্ডপ কেন্দ্রিক কারিগরগণ প্রতিমা সাজাতে ব্যস্ত রয়েছেন। দক্ষ হাতের নিপুন ছোঁয়ায়, রং তুলির আকরে শিল্পী তার শিল্পকর্ম ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তুলছেন। অপরদিকে আয়োজকরা স্ব স্ব উৎসব অঙ্গনকে নানান সাজে সজ্জিত করে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এর সাথে পূজারীরা ধর্মীয় উৎসবটি আনন্দময় করতে আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন।

দূর্গোৎসবের অন্যতম উপাদান হচ্ছে পোশাক। প্রতিমার পোশাক ছাড়া নিজেদের পোশাক ক্রয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। শহরের মার্কেটগুলোতে পরিবারের সদস্যরা কেনাকাটায় বিভোর। শুধু কাপড় নয়, কসমেটিক্স ও মেকাপ সামগ্রীও সমানতালে ক্রয় করা হচ্ছে। পিছিয়ে নেই জুতা’র বাজারও। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনে বিভিন্ন দোকানীরা নিত্য নতুন পণ্যের পসরা সাজিয়ে রেখেছেন।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/মঞ্জুরে/এসডি-০৫