সিলেটে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের হাদারপাড় গ্রামের যুবদল নেতা বদরুল আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই মো. আখলাকুল আম্বিয়া বাদী হয়ে ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭/৮ জনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।
পুলিশ এখন পর্যন্ত ওই মামলায় আমিনুর রশিদ নামের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতার আমিন একই ইউনিয়নের গোড়াগ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। তিনি এজহারনামীয় ৭ নম্বর আসামী।
মামলার অন্য আসামীরা হলেন- গোড়াগ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে শাহিনুর রশিদ (২৯), তার ভাই তুহিন আহমদ (২৩), একই গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে মামুনুর রশিদ (৩৬), আবদুল হামিদ বুলাইয়ের ছেলে সুয়াইবুর রহমান ছবুর (৩৮), ছালিম আহমদের ছেলে কুটি মিয়া (২৫), ছখাই মিয়ার ছেলে সাইফ আহমদ (৩৩) ও নোমান আহমদ (২০), গোরাগ্রাম বরইকান্দির ফারুক মিয়ার ছেলে ইমন (২৪), উপরগ্রাম পাটাপুরের আবদুস শহিদের ছেলে নুরুজ্জামান নুরুজ (২৩) ও উপরগ্রাম পূর্বপাড়ার মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে ফয়েজ আহমদ (৩২)।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি ওমর ফারুক মোড়ল জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর ভোররাতে গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের মনরতল বাজার থেকে ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে বদরুল আলম ও তার সঙ্গীয় ছাদেক আহমদকে গুরুতর আহত করে সাথে থাকা ৩০ লাখ টাকা ও ২৯টি গরু ছিনিয়ে নেয়। ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিলেটভিউ২৪ ডটকম/আশিক-১৩





