ব্রিটেনের কারি ইন্ডাস্ট্রির মর্যাদাপূর্ণ ARTA Awards 2026-এ ইস্ট মিডল্যান্ড অঞ্চলের সেরা রেস্টুরেন্টের স্বীকৃতি অর্জন করেছে নর্থাম্পটনের আরামিনতাজ রেস্টুরেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির এই অর্জনের সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িয়ে রয়েছে এর হেড শেফ, ‘কারি কিং’খ্যাত সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীমের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রম। এই স্বীকৃতিতে নর্থাম্পটনের বাংলাদেশি কমিউনিটি ও স্থানীয় খাদ্যশিল্পে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর লন্ডনের পাঁচ তারকা হিলটন পার্ক লেন হোটেলে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে আরামিনতাজ রেস্টুরেন্টের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি প্রায় ৬৫০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিটেনের কারি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবে পরিচিত ARTA Awards-এ এই স্বীকৃতি আরামিনতাজ রেস্টুরেন্টের সুনাম ও অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রায় দুই দশক ধরে নর্থাম্পটন ও আশপাশের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট এবং টেকঅ্যাওয়েতে শেফ হিসেবে কাজ করছেন এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম। দীর্ঘ কর্মজীবনে রান্নার অভিজ্ঞতা, খাবারের মান বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের রুচি ও পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
‘কারি কিং’ হিসেবে পরিচিত শামীমের কাছে রান্না কেবল পেশা নয়; বরং গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণ এবং প্রতিটি খাবারে স্বাদ ও মান নিশ্চিত করার নিরন্তর প্রচেষ্টা।
পুরস্কার অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় শামীম বলেন, “এই পুরস্কার আমাদের জন্য অনেক সম্মানের। একজন শেফ হিসেবে এমন প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি আমার কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও খাবারের মান ধরে রেখে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে চাই।”
নিজের রান্নার কৌশল ও মেনু তৈরির বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি সবসময় চেষ্টা করি, যে এলাকায় কাজ করি, সেখানকার মানুষের খাবারের চাহিদা ও পছন্দ সম্পর্কে জানতে। গ্রাহকরা যেন খাবারের স্বাদ ও মানে সন্তুষ্ট থাকেন, সেটাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
নর্থাম্পটনের আরামিনতাজ রেস্টুরেন্টে নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, মেয়রসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মহলের মানুষের কাছে রেস্টুরেন্টটির পরিচিতি রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ইস্ট মিডল্যান্ড অঞ্চলের সেরা রেস্টুরেন্টের এই স্বীকৃতি আরামিনতাজের জনপ্রিয়তা ও সুনাম আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে ব্রিটেনে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের সাফল্যের ধারায় যুক্ত হবে নতুন এক অর্জন।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, খাবারের মান এবং গ্রাহকদের পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়ার মধ্য দিয়ে অর্জিত এই স্বীকৃতি নর্থাম্পটনের বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/শামীম/এসডি-১৩





