সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে বিভিন্ন মডেলের ৫৬টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছেন থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহাজান আলী।
 

থানায় যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত তাঁর উদ্ধার করা ৫৬টি মোবাইল ফোন মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রশংসা পাচ্ছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
 


মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে অনেকেই আর সেটি ফিরে পাওয়ার আশা করেন না। কেউ কেউ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও মোবাইল ফোন উদ্ধার হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে জৈন্তাপুর মডেল থানায় জিডির সূত্র ধরে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন এএসআই শাহাজান আলী।

জানা যায়, জৈন্তাপুর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন মডেলের মোট ৫৬টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন। পরে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধারে কাজ করেন তিনি।
 

হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপকৃত হচ্ছেন। মোবাইল ফোন ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজ, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। ফলে একটি হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়া মালিকের জন্য স্বস্তির বিষয়। এ কারণে হারানো ফোন উদ্ধারে পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে এএসআই শাহাজান আলী জানান, হারানো মোবাইল ফোনের বিষয়ে করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
 

পুলিশের দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে হারানো সম্পদ উদ্ধারে এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। জৈন্তাপুর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে ৫৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি এএসআই শাহাজান আলীর কাজের উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে উঠে এসেছে।

হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে এএসআই শাহাজান আলীর এ উদ্যোগে প্রশংসা করছেন অনেকে। সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে হারানো সম্পদ উদ্ধারের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/জাহিদ/এসডি-০৯