ওয়েম্বলিতে মুখোমুখি হয়েছিল চেলসি ও লিভারপুল। উপলক্ষ ইংলিশ ফুটবল লিগ কাপের ফাইনাল। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, সুযোগ নষ্টের মহড়া শেষে খেলা গড়াল পেনাল্টিতে। সেখানেও রোমাঞ্চের পসরা সাজিয়ে বসেছিল দুই দল। তবে এই ম্যাচে একটা-দুটো নয় ২২টা পেনাল্টি নিতে হলো দুই দলের সমতা ভাঙতে৷ আর তাতে শেষ হাসিটা হাসল কোচ ক্লপের লিভারপুল। চেলসিকে ১১-১০ ব্যবধানে হারিয়ে ১০ বছর পর জিতল ইংলিশ লিগ কাপের শিরোপা।
ম্যাচের আগের পরিস্থিতিটা চেলসির জন্য মোটেও সুখকর ছিল না, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে যার মালিকানায় ছিল ক্লাবটা, সেই রোমান আব্রামোভিচ 'দায়িত্ব' ছেড়েছিলেন আগের রাতে। মালিক রুশ হওয়ায় কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি দলটিকে। তার মধ্যেই নেমে পড়তে হয়েছে লিগ কাপের ফাইনালে।
নির্ধারিত সময়ে গোল বাতিল অবশ্য চেলসিরও হয়েছে। কাই হ্যাভার্টজের হেডার জালে জড়ানোর পর চেলসি জেনেছে, বিল্ড আপে ছিল এক অফসাইড, তাতে গোল আর পাওয়া হয়নি। খেলাটা তাতে অবধারিতভাবেই গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেই সময়ও একবার রোমেলু লুকাকু, আরেকবার হ্যাভার্টজের গোল বাতিল হয়েছে সেই একই কারণে৷ এর আগে পরে দুই গোলরক্ষকের দুর্দান্ত কিছু সেভও গোলের দেখা পেতে দেয়নি ওয়েম্বলিতে হাজির সত্তর হাজারের কাছাকাছি দর্শককে।
পেনাল্টি শুট আউটে সালাহদের একটা শটও ঠেকাতে পারেননি কেপা। তবে তার সতীর্থরাও মিস করেননি একটি শট। খেলা গড়ায় সাডেন ডেথে, সেখানেও তিনি শট ঠেকাতে ব্যর্থ, টানা ১১ ব্যর্থতার পর নায়ক হওয়ার সুযোগ এসেছিল চেলসির ৭০০ কোটি টাকা দামের এই গোলরক্ষকের সামনে৷ তবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন সেখানেও। নিজের শটটা রাখতে পারেননি লক্ষ্যেই। তাতেই শিরোপার উল্লাসে ফেটে পড়ে লিভারপুল, আর চেলসি শিবিরে নেমে আসে হতাশা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি
সূত্র : ঢাকাপোস্ট




