সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সরকারি ভূমিতে দখল ও উচ্ছেদ নিয়ে চলছে ইঁদুর-বিড়াল খেলা। একদিকে দখলমুক্তকরণে ঢাকঢোল পিটিয়ে উচ্ছেদ, অন্যদিকে আবারও দখল। এ অবস্থা দীর্ঘদিনের। আর এসব কারণে বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালাতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। এতে অপচয় হচ্ছে অর্থ, জনবল ও সময়ের। তবে এসব অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনিক অভিযান চালালেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ততটা স্থিতিশীল না থাকায় নানা প্রশ্ন জনমনে।

সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলোনি, মুক্তিযুদ্ধের ৫নং সাব-সেক্টর বাঁশতলা-হকনগর শহিদ স্মৃতিসৌধ এলাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নানা স্থানে সরকারি খাসভূমি হতে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে প্রশাসনিক সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তারপরও এক শ্রেণির সুযোগ সন্ধানীরা কীভাবে সরকারি জায়গা দখলে নেওয়া যায় সেই অপচেষ্টায় মরিয়া হয়ে নানা ফন্দি আঁটছে। বারবার উচ্ছেদের পরও ওই এলাকার স্থানে স্থানে খানাখন্দ আর পুকুর সমান গর্ত করে বালি-পাথর উত্তোলনসহ সরকাকারি খাস ভূমিতে অবৈধ দখল প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।


ইতিপূর্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সল আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে কলোনি এলাকায় মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসি শহিদ মিয়ার ছেলে রমজান ও আমির হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তারসহ অনেকের দখল থেকে খাসভূমি উদ্ধার করা হয়। তবুও ক্ষান্ত হয়নি অবৈধ ভূমি খেকোরা। ইতিমধ্যে অনেকেই কাঁচা, পাকা, আধাপাকাসহ স্থায়ী স্থাপনার নির্মাণকাজ অব্যাহত রেখেছেন। এ যেনো ইঁদুর-বিড়ালের খেলা।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সল আহমেদ বলেন, ‘সরকারি খাসভুমি দখলমুক্তকরণে আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছি। উপজেলার সর্বত্রই সরকারি ভূমি হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ সকল অপরাধ নির্মূলে আমাদের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে, অব্যাহত থাকবে।’

সিলেটভিউ২৪ডটকম/তাজুল/পিডি