প্রতীকী ছবি
নাটোরের বড়াইগ্রামে বিয়ের দাবিতে তিনদিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক তরুণী।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার নগর গ্রামের রায়হান আলী ওরফে শুভর বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি। রায়হান ওই গ্রামের জুলহাস উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার পর থেকে প্রেমিক রায়হান ও তার বাবা জুলহাস বাড়ি ছেলে অন্যত্র চলে গেছেন।
রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জেনে ওই বাড়িতে ভিড় করেছেন। মেয়েটিকে ওই বাড়ি থেকে সরাতে নানা চেষ্টা করছেন রায়হানের স্বজনরা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রায়হান পাবনার ঈশ্বরদীর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এবং ওই তরুণী পাশের ইপিজেডে কাজ করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে পরিচয় ও পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এক পর্যায়ে রায়হানের বাবা মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাকে দেখেও আসেন। ওই সময় তিনি ছয় মাস পর বিয়ের আশ্বাসও দেন।
এরপর রায়হান ঈশ্বরদীতে মেয়েটিকে একটি বাসা ভাড়া করে দেন। মাঝে মাঝে সেখানে গিয়ে থাকতেন তিনি।
এদিকে ছয় মাস পার হলে মেয়েটি রায়হানকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু রায়হান চাকরি ছেড়ে বাড়িতে চলে আসেন।
পরবর্তীতে বিয়ের কথা বললেই নিজেদের একান্তে সময় কাটানোর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান রায়হান। কোনো উপায় না পেয়ে মেয়েটি শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রায়হানের এক স্বজন বলেন, আমরা প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিয়ে বিয়ে করাতে রাজি ছিলাম, কিন্তু মেয়েটির আগে একবার বিয়ে হয়েছে শুনে পিছিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, আমি প্রথমেই রায়হানকে আমার প্রথম বিয়ের কথা জানিয়েছি, সে সবকিছু জেনেই আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছে।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ওসি আবু সিদ্দিক জানান, বিষয়টি শুনেছি, তবে তারা ঈশ্বরদী থানা এলাকায় থাকাকালে সব ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে মেয়েটির মা-বাবাকে সেখানেই মামলা করার কথা বলেছি। পরবর্তীতে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ যেভাবে চাইবে, আমরা সেভাবে সহযোগিতা করব।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-০৭
সূত্র : যুগান্তর




