সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে নালা বন্ধ করে পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন একই ইউনিয়নের কাটলীপাড়া গ্রামের মৃত তাহির আলীর পুত্র মজনু মিয়া। মামলা নং ৪৪ (তাং ৮.০৩.২২ইং)।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন- রামপাশা ইউনিয়নের কাঠলীপাড়া গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার পুত্র হাফিজ আব্দুছ ছালাম, আলী মানিক, ফারুক মিয়া, আব্দুর রউফ বকুল, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ।


মামলার অভিযোগে বাদী মজনু মিয়া উল্লেখ করেছেন, তার (বাদী) বাড়ির উত্তর পার্শ্বের সীমানায় বিশ্বনাথ-রামপাশা-বৈরাগী বাজার সড়কের পাশে পানি নিস্কাশনের জন্য একটি নালা রয়েছে। এই নালার পাশে বাদী-বিবাদীগণসহ বিভিন্ন লোকের বসত বাড়ি, দোকান ও মার্কেট রয়েছে। ৩ ফুট প্রস্থের ওই নালার ৭২ ফুট বাদী (মজনু) তার নিজ খরচে পাকা করেন ও কিছু অংশ সরকারি খরচে করা হয় এবং অবশিষ্ট অংশ কাঁচা নালা হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে।

বাদী মজনু মিয়া গং কর্তৃক পূর্বে দায়েরকৃত একটি মামলায় আদালতকর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে অভিযুক্তরা নালাটি বন্ধ করে দেন। এতে বাদীসহ আশপাশের বাড়ি-ঘরের পানি নিস্কাশনে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্ত হাফিজ আব্দুছ ছালাম গংরা তাদের রেষ্টুরেন্ট ও টয়লেটের ময়লা পানি পাইপ দ্বারা বাদীর বসতবাড়ির ভিতরের জায়গার উপর ফেলতে থাকায় নিজ বাড়িতে বাদীর বসবাসে অসুবিধা হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হয়ে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের। তাই নালায় সৃষ্ট পানি নিস্কাশনের সকল প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে নির্দেশ সূচক নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য আদালতে আবেদন জানান মামলার বাদী মজনু মিয়া।

নিজের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয় দাবী করে অভিযুক্ত হাফিজ আব্দুছ ছালাম বলেন, রেষ্টুরেন্টসহ মার্কেটটি আমরা কয়েক বছর পূর্বে মজনু মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করেছি। ক্রয় করার পূর্বে যেভাবে নালা দিয়ে পানি নিস্কাশন হয়ে ছিলো, এখনও সেই একই ভাবে হচ্ছে। তাছাড়া অসম্পূর্ণ ড্রেন আমি নিজ সম্পন্ন করতে চাই। এজন্য সরকারের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়ে একাধিক বার আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও অনুমতি পাইনি। সেজন্য কাজ করতে পারছি না।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিবিএ/এসডি-২৬