২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন কর্ম ও বাংলাদেশ'র স্বাধীনতা শীর্ষক" সুনামগঞ্জ বিচার বিভাগে আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১ টায় সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সিনিয়র ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার ও যৌথ সঞ্চালনা করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মৈত্রী ভট্টাচার্য, সহকারি জজ বেলাল হোসেন ও সহকারি জজ মো. জুলহাস উদ্দিন।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সুনামগঞ্জ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. খায়রুল কবির রুমেন, পি. পি আখতারুজ্জামান আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রবিউল লেইস, সাধারণ সম্পাদক এটি এম রুহুল আমিন।

পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিচার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল রশিদ আহমদ মিলন, গীতা পাঠ করেন যুগ্ম জেলা জজ কাকন দে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উপস্থাপনা করেন মো. শামসুল হক।

বক্তব্য রাখেন- চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজিম, জেলা ও দায়রা জজ অবশর প্রাপ্ত দেবাশীষ দে,জেলা জজ আদালত মো. কামরুজ্জামান, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, হিসাব রক্ষক মো. শামসুল, এডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ হক, বিজ্ঞ সহকারী জজ আসিফ আলম চৌধুরীর, বিজ্ঞ সহকারী মো. আরিফুর রহমান, বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইসরাত জাহান, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাং হেলাল উদ্দিন, জেল লিগেল এইড অফিসার বেগম সুলেখা দে, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদ মাহবুবুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ, অতিরিক্ত পি.পি. বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, নূরে আলম সিদ্দিকী, সাবেক সভাপতি এডভোকেট নজরুল ইসলাম, বিজ্ঞ সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন তুহিন প্রমুখ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন ২৬ শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবসের বাঙালী জাতীয় জীবনে গুরুত্ব অনেক। ১৯৭১ সালে এই দিনে বাংলার পূর্ব আকাশে রক্ত লাল হয়ে উদিত হয়েছিল একটি নতুন সূর্য, বাংলার আকাশে উঠেছিল লাল - সবুজের পতাকা। বিশ্বের বুকে জন্ম নেয বাংলাদেশ নামক একটি দেশ।

শেখ লুৎফুর রহমান ও সায়েরা খাতুনের কোলে আলোকিত উজ্জ্বল নক্ষত্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের এক নায়ক, ভারতীয় তথা উপমহাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাদাসিধা জীবন যাপন করতেন ও নিজের জন্য নয় বাংলার মানুষের জন্য জীবন বাজি রেখে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই বিজয় অর্জনের ইতিহাস অনেক শহিদের রক্ত, মা- বোনের ইজ্জত আর ত্যাগের বিনিময়ে এই অর্জন। দেশেকে স্বাধীন করতে যারা যোদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল তাদের বীরত্বের কথা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে হবে। স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস চুরি হয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়িত হলে দেশে অনিয়ম লুটপাট বন্ধ হবে।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এসএনএ/এসডি-৩৪