সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া স্মারক সম্বলিত আদেশে বেতন তোলার চেষ্টায় সহকারি শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও গ্রামের আবরু মিয়ার পুত্র ফিরোজ আহমদ ও নাটোর জেলার লালপুর থানার বরবড়িয়া গ্রামের দবির উদ্দিনের পুত্র রেজাউল করিম ভূয়া সনদে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছেন স্থানীয় হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তে তাদের সনদপত্র ভুয়া প্রমাণিত হলে ওই দুই শিক্ষকের নিয়মিত বেতনভাতা স্থগিত করা হয়। ২০২১ সালের ৩ মার্চ ৪০৬/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোডে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মামলা চলমান অবস্থায় গত ৯ মার্চ ডাকঘরের মাধ্যমে সহকারি শিক্ষক রেজাউল করিমের বকেয়া বেতনভাতাদি প্রদানের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নামে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে একটি আদেশপত্র আসে। পরবর্তীতে আদেশপত্রটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।
হাজি কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিজ আলী জানান ' প্রাপ্ত আদেশপত্রটি যাচাই করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফতেফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হই। তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সোনামনি চাকমা বলেন, শিক্ষকের বেতনভাতাদি প্রদানের জন্য কোনো আদেশপত্র পাঠানো হয়নি। আদেশপত্রের স্মারক নম্বারটিও ভুয়া। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমি থানায় জিডি করি।'
জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবদুলাল ধর জানান, 'এবিষয়ে হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থানায় জিডি করেছেন।'
সিলেটভিউ২৪ডিটকম / তাজুল / ডি.আর




