বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট অঞ্চল পরিচালক মাওলান সোহেল আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রের প্রধান চালিকা শক্তি হয়েও শ্রমিকরাই সবচেয়ে অবহেলিত জনগোষ্টী।

 


তাদের ঘামে রাষ্ট্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক মজবুতি নিশ্চিত হলেও তাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। রাষ্ট্র এবং সরকারের আন্তরিকতার অভাবে শ্রমিকরা আজো শোষণ-বঞ্চনার শিকার। আমাদের শ্রমিক সমাজ আজ আদর্শবিহীন ও দ্বিধাবিভক্ত। তাই তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে না। শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হচ্ছে নৈতিকতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা। কারণ নৈতিকতা সম্পন্ন দক্ষ শ্রমিক সমাজই হবে বাংলাদেশের আগামীর কর্ণধার। সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু শ্রমিক কেন, প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। কারণ ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জবাবদিহিতামূলক মানসিকতা ইহকালিন সাফল্যের পাশাপাশি পরকালিন মুক্তির পথ প্রশস্ত করে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠার দৃঢ় শপথ নিতে হবে।

 

তিনি শনিবার (১ মে) মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগর আয়োজিত র‌্যালী পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। র‌্যালীটি নগরীর বন্দরাবাজার থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে পুনরায় কোর্ট পয়েন্টে এসে সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

 

ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহাগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজুর সভাপতিত্বে, সেক্রেটারী মিয়া মোহাম্মদ রাসেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত র‌্যালী ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- ফেডারেশনের সিলেট দক্ষিণ জেলা সভাপতি ফখরুল ইসলাম খাঁন, উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক কফিলউদ্দিন আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবদুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল বাছেত মিলন, অফিস সম্পাদক দিলশাদ মিয়া, শ্রমিক নেতা খছরুজ্জামান, গোলাফুর রহমান, নজরুল ইসলাম, বেলাল আহমদ, রাশেদ আহমদ চৌধুরী, আবদুর সাত্তার মুন্না, আবদুল হাকিম, মোক্তার হোসেন, আক্তার হোসেন, ইদ্রিস আলী, আবু বকর, আকবর হোসেন ও কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-০৮