দিরাই মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে কমিটির ছয় সদস্য পদত্যাগ করেছেন। 

 


তারা হলেন- অভিভাবক সদস্য মনোজ কান্তি পুরকায়স্থ, বিষ্ণুপদ সরকার, শিক্ষানুরাগী মো.তারিফ উদ্দিন চৌধুরী, মহিলা অভিভাবক সদস্য সবিতা বর্মন, শিক্ষক প্রতিনিধি রওশন আরা খাতুন, মো. হারুন-অর রশীদ চৌধুরী।

 

রবিবার ২২ মে সদস্যরা এম মতিউর রহমান সাথে স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন না মর্মে ‘বিতর্কিত’ ঐ সভাপতির নিকট পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।

 

পদত্যাগকারী সদস্যরা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন, আপনি সভাপতি হওয়ার পর থেকে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির যতগুলো সভা আহবান করেছেন প্রত্যেকটি সভায়ই আপনার স্বেচ্ছাচারিতা ক্ষমতার অপব্যবহার বিদ্যালয় তহবিলের নিয়মিত অডিট কমিটি পরিবর্তন করে আপনার মনগড়া অডিট কমিটি গঠন করে আমাদের কে অবমূল্যায়ন করে প্রধান শিক্ষকের দূর্নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং আমরা ৬ (ছয়) জন নির্বাচিত সদস্যবৃন্দের মতামত কে উপেক্ষা করে আপনার খেয়াল খুশি মতো সভার বিষয়বস্তু রেজুলেশন বহিতে লিখিয়েছেন, যা বিধি মোতাবেক নহে। গত ০৭/০২/২০২২ ইং তারিখের এক সভায় আমাদের ৬ জনের সিদ্ধান্তের মতামত রেজুলেশন বহিতে লেখা সত্ত্বেও আপনি ফুয়িড কালি ব্যবহার করে মুছে ফেলে ঐ স্থানে আপনার ব্যক্তিগত মতামত রেজুলেশন বহিতে লিখিয়েছেন।

 

আরোও উল্লেখ করেন, গত ১২/০৭/২০২১ ইং তারিখে পরিচালনা কমিটির এক সভার ৩ নং সিদ্ধান্তে অত্র বিদ্যালয়ের তহবিলের অডিট কমিটির একটি দুর্নীতির প্রতিবেদন যাচাই বাছাই আপনি নিজে করিয়া পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করিবেন মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু উক্ত দূর্নীতির প্রতিবেদনটি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যাওয়ায় তাহা আপনি ধামাচাপা দিয়েছেন। আরোও উল্লেখ্য যে, ২১/০৫/২০২২ ইং তারিখে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সভায় আমরা সকল সদস্যবৃন্দ স্বশরীরে উপস্থিত থাকা স্বত্ত্বেও আপনি কোন সিদ্ধান্ত না নিয়ে সভা মূলতবী ঘোষণা করে আবার ২৩/০৫/২০২২ ইং তারিখে সভা আহবান করেছেন। আপনার উক্ত সভায়, আপনার আচরণে যে কোন অঘটন, বিশৃঙ্খলা ঘটতে পারে বলিয়া আমাদের কাছে প্রতিয়মান হয়।

 

এমতাবস্থায়, সর্বাধিক বিবেচনা করিয়া আমরা দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি হইতে নিয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাচিত সদস্যবৃন্দ স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে পদত্যাগ করিলাম।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এইচপি/এসডি-১২