সিলেট বিভাগে সাধারণ মানুষের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র হচ্ছে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চার জেলার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খান এই হাসাপাতালের ডাক্তার-সেবিকারা। সেবা দিতে গিয়ে নানারকম বিরূপ পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয় চিকিৎসকদের।
বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা ডাক্তারদের কক্ষে এসে ভীড় জমানোর ফলে চিকিৎসা সেবাদান ব্যহত হয়।
সেবাদান যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্যে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতি সপ্তাহে দুই দিন প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু, সে নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিক্রয় প্রতিনিধিরা প্রতিদিনই হাসপাতালে এসে ভীড় করেন। এতে চিকিৎসা সেবা প্রদানে নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিরা রোগীর ব্যবস্থাপত্রের ছবি তুলতে চান। যা একজন রোগীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন। ওষুধ কোম্পানির বাণিজ্যের স্বার্থ রক্ষায় বিক্রয় প্রতিনিধিরা রোগীর ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপত্র নিয়েও নীতি-নৈতিকতা মানছেন না।
ব্যবস্থাপত্রের ছবি তোলা ও চিকিৎসা সেবায় ব্যাঘাতের অভিযোগে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধির ১১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জব্দ করা হয় বলে হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রওশন হাবিব জানান, সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার ওষুধ কোম্পানিগুলোর রিপ্রেজেনটেটিভদের হাসপাতালে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু তারা প্রতিদিনই হাসপাতালে প্রবেশ করে চিকিৎসা কাজে সমস্যার সৃষ্টি করেন। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের নির্দের্শে আমরা ১১ জনের মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/টিএস/এসডি-১৭




