ছবি : আহমেদ শাহিন
২০২১ সালের শুরুতে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত সড়কে রিকশা, ভ্যান ও লেগুনা চলাচল বন্ধ করে দেয় সিটি করপোরেশন (সিসিক) ও ট্রাফিক পুলিশ। নগরীর ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সে সময় থেকে সড়কটিতে রিকশা, ভ্যান ও লেগুনা চলাচল ঠেকাতে বন্দরবাজারের কালেক্টরেট মসজিদের সামনে, পূর্ব জিন্দাবাজারের বারুতখানা পয়েন্টে, পশ্চিম জিন্দাবাজারের জল্লারপাড়ে, জিন্দাবাজার থেকে তাতিপাড়ায় যাওয়ার গলির মুখে ও চৌহাট্টা পয়েন্টে সিসিক কর্মী এবং ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করতেন। এ সড়কে ঢুকতে যাওয়া রিকশাকে ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু গত ২০ দিন ধরে এসব স্থানে আটকানো হচ্ছে না রিকশা। ফলে এখন বন্দবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত সড়কে অবাধে চলছে রিকশা। এতে ব্যস্ততম এ সড়কে বেড়ে গেছে যানজট, বেড়েছে জনভোগান্তি। তাছাড়া ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়ায় এবং রাস্তায় অবৈধ পার্কিং বহাল থাকায় মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
তবে বন্দর-চৌহাট্টা সড়কে রিকশা চলাচলের বিষয়ে কিছুই জানে না সিলেট সিটি করপোরেশন। সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান চৌধুরী এ বিষয়ে বুধবার (১ জুন) বিকালে সিলেটভিউ-কে বলেন, এ সড়কে রিকশা চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেনি সিসিক। সম্প্রতি নগরীর তালতলা এলাকার সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ট্রাফিক পুলিশ মানবিক দিক বিবেচনা করে হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য রিকশা চলাচল করার সুযোগ করে দিয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুরু থেকেই এ রাস্তায় রিকশা চলাচল ঠেকাতে সিসিক কর্মীদের নিয়োজিত রাখা হয়। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশও দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু এখন পুলিশের কাছ থেকে এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা পাচ্ছি না।
এ বিষয়ে জানতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।
তবে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) সিলেটভিউ-কে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানাচ্ছি, ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / অলি / ডালিম




