হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানা পুলিশের তৎপরতায় আপন নীড়ে ফিরল বাকপ্রতিবন্ধি ১২ বছর বয়য়ী এক শিশু। নাম ঠিকানা বলতে না পারা শিশুটিকে নিয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেয়ার পর থেকেই বেশ সাড়া পড়ে। এক পর্যায়ে পরিচয় মিলে তার। খবর দেয়া হয় পরিবারের সদস্যদের। পরে তাকে তুলে দেয়া হয় স্বজনদের হাতে। এসময় বাকপ্রতিবন্ধি শিশুকে কাছে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়ে তার পরিবারের সদস্যরা, ধন্যবাদ জানান বানিয়াচং থানা পুলিশকে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দিবাগত মধ্য রাতে বানিয়াচং থানাধীন সুনারু গ্রামের স্থানীয় কিছু লোকজন অজ্ঞাতনামা ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে খুজে পায়। এসময় তারা তার নাম ঠিকানা বললে সে কিছু বলতে পারেনি। পরে তারা তাকে নিয়ে বিপাকে পড়ে যায়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা ওই শিশুটিকে বানিয়াচং থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে পুলিশ ওই শিশুটির পরিচয় শানাক্তে তার ছবিসহ একটি পোস্ট করে। আর এতেই পরিচয় মিলে হতভাগা শিশুটির। জানতে পারা যায় সে জেলার বাহুবল উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার পুত্র ফয়সল মিয়া।
বানিয়াচং থানার (ওসি) মোহাম্মদ এমরান হোসেন জানান, পরিচয় শানাক্ত হওয়ার পর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। পরে তারা থানায় আসলে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করেন।
তিনি বলেন, পুলিশ শুধু মারামারি আর আসামী ধরতে এখন ব্যস্ত থাকে না। মানবিক কর্মকান্ডে বাংলাদেশ পুলিশ উদাহারণ সৃষ্টি করছে। বাকপ্রতিবন্ধি ওই শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে পুলিশও স্বস্থিবোধ করছে। (ওসি) আরো বলেন, এমন শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরো যত্নবান হওয়া উচিত।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / জাচ্যৗ / ইআ




