বৃহত্তর সিলেট পাথর ব্যবসায়ী শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ভয়াবহ বন্যা বিপর্যস্ত সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় কর্মহীন মানুষ হাহাকার করছেন। সিলেটের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একমাত্র কর্মক্ষেত্র পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় রোজগার বঞ্চিত এ অঞ্চলের লাখো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

 


প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় সহায় সম্বল হারানো মানুষগুলো চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন, একসময় পাথর আহরণ করে জীবীকা নির্বাহকারী এ মানুষগুলো কর্মক্ষেত্র হারিয়ে চরম অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছেন।

 

এদিকে দেশের অর্থনীতির এ ক্রান্তিকালে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে পাথর আমদানী করা হচ্ছে, এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের অপচয় হচ্ছে। সিলেটের পাথর কোয়ারীগুলো খুলে দিলে একদিকে যেমন বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে অপরদিকে সিলেটের লাখো মানুষের জীবীকার পথ সুগম হবে।

 

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সিলেটের পাথর কোয়ারী সমূহ খোলে দিয়ে লাখো মানুষের জীবন রক্ষার সুযোগ করে দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। 

বুধবার সন্ধ্যায় বৃহত্তর সিলেট পাথর ব্যবসায়ী শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এবং কোম্পানীগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ী সমিতির এক সভা কোম্পানীগঞ্জের পাড়ুয়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

কোম্পানীগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল জলিল এর সভাপতিত্বে ও ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল আমিন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম হাদী ছয়ফুল।

 

সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক গফুর মিয়া, ব্যবসায়ী নেতা সাংবাদিক শাব্বির আহমদ, সালুটিকর পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইকলাল আহমদ, ভোলাগঞ্জ পাথর ব্যবসায়ী নেতা বিলাল আহমদ, আবদুল হেকিম, আক্তারুজ্জামান নোমান চান মিয়া নিজাম উদ্দিন, সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ মালিক সমিতি নেতা ফয়জুল ইসলাম, কয়সর আলী জালালী, স্বপন আহমদ, শ্রমিক নেতা আবদুল আজিজ প্রমুখ।

 

সভায় সিলেটের পাথর কোয়ারী সমুহ খোলে দেয়ার দাবীতে আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে - জাফলং এবং ধোপাগুল এলাকায় জনসংযোগ ও মতবিনিময়, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান, সাংবাদিক সম্মেলন, বিক্ষোভ সমাবেশ ইত্যাদি।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এজে/এসডি-১৬