মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা শ্রমিকরা পালন করছেন অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট। নিজেদের দাবি আদায়ে তারা আছেন শক্ত অবস্থানে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চা বাগানগুলোয়। বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সব চা বাগান ও কারখানার কার্যক্রম। এ সংকট কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছে শ্রম অধিদফতর। আজ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিক ও চা বাগান মালিকপক্ষকে নিয়ে পৃথক বৈঠকে বসার কথা অধিদফতরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী।
চা শ্রমিকরা জানান, বর্তমানে তারা ১২০ টাকা মজুরি পান। এ মজুরি ‘অন্যায্য’, ‘অযৌক্তিক’ মনে করছেন তারা। তাই মজুরি ৩০০ টাকায় উন্নীত করার দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। জাতীয় শোক দিবসের কারণে গত রোববার ও সোমবার তারা রাজপথে কোনো কর্মসূচি পালন করেননি। তবে কর্মবিরতি অব্যাহত রাখেন।
আজ মঙ্গলবার থেকে ফের পুরোদমে শুরু হয়েছে চা শ্রমিকদের আন্দোলন। তবে শ্রম অধিদফতরের সঙ্গে বৈঠক সফল হলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন চা শ্রমিক নেতারা।
বিভাগীয় শ্রম অধিদফতর শ্রীমঙ্গলের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান জানান, অধিদফতরের মহাপরিচালক শ্রীমঙ্গলে আসছেন। তিনি প্রথমে চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পরে বৈঠক হবে বাগান মালিকপক্ষের সঙ্গে। উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠকের পর আশা করা যাচ্ছে সমস্যার সমাধান হবে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা সিলেটভিউকে বলেন, আমরা বৈঠকের জন্য শ্রীমঙ্গলে অবস্থান করছি। সাতটা চা ভ্যালির দায়িত্বশীলরা বৈঠকে অংশ নিতে এসেছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে




