গ্যাস-বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক সিনিয়র আইনজীবী নাছির উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে বলেন- ঢাকা, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শীত মৌসুমের আগেই আবাসিক গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে সম্মানিত গ্রাহকরা মারাত্মক দুর্ভোগের সম্মুখীন। এই সংকটের কারণে মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছেন না। এর ফলে রান্নার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিশু, বৃদ্ধ, রোগী না খেয়ে দিন যাপন করছেন। উক্ত এলাকাগুলোতে গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে গ্রাহকরা কষ্টের মধ্যে আছেন।


এদিকে- নারায়ণগঞ্জবাসীরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পাওয়ার দাবীতে তিতাস কোম্পানির কার্যালয় ঘেরাও করার পর দিন সোনারগাঁও উপজেলায় ৭ হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার খবর মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। দেশবাসীর প্রশ্ন? হাজার হাজার অবৈধ এই সংযোগটি কে বা কারা দিলেন, দেশবাসী তা জানতে চায়। গ্যাস সংযোগ বিষয়টি এমন নয় যে, যে কেউ চাইলেই গ্যাস লাইনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন। প্রশ্ন- অবৈধ এই সংযোগের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ না কেউ জড়িত আছেন।



গণমাধ্যম থেকে জানা যায়- তিতাস গ্যাস কোম্পানির ভাষ্যমতে শুধু সোনারগাঁওয়ে ত্রিশ হাজার অবৈধ সংযোগ আছে। সচেতন মহল ধারণা করছেন, এলপিজি গ্যাস আমদানির নামে সিলিন্ডার গ্যাস কোম্পানিগুলো এই গ্যাস চুরির সাথে জড়িত কি-না তা খতিয়ে খুবই জরুরী। এই অবৈধ সংযোগের সাথে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও জড়িত। তারা ৩০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা বিনিময়ে অবৈধ দিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে।


ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসে তীব্র সংকট দ্রুত দূর করে, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের জোর দাবী জানান। 


পাশাপাশি হাজার হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য চিরুনি অভিযান এবং এর নেপথ্যে দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করে চাকুরী থেকে বরখাস্ত ও শাস্তি, জড়িত স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জোর দাবী জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন- ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে গ্যাস ও বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরকে গ্যাস-বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। প্রয়োজনে সদস্য সচিরের ০১৭১১ ০২৪১৩৬ নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল। 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/মুন্না