রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকায় ৭ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ফাহমিদা রহমান নন্দিনী (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১২ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ফাহমিদা রহমান নন্দিনী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে দাবি করছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের বাবা সৌদি প্রবাসী ছিলেন। ২০১৬ সালে হঠাৎ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে চলে আসায় ফাহমিদা রহমানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় তিনি অনার্স থার্ড ইয়ারে ছিলেন।
তিনি বলেন, মৃত নারী অবিবাহিত ও বেকার ছিলেন। গত ১৮ জানুয়ারি তার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বাবার কথা মনে করে প্রায়ই তিনি কান্নাকাটি করতেন। বর্তমান ঠিকানার ফ্ল্যাটটি তাদের নিজস্ব। এখানে ভিকটিম তার ছোটবোন এবং মাসহ বসবাস করতেন। বর্তমানে তাদের আয়ের কোনো উৎস নেই। সব মিলিয়ে পড়াশোনা বন্ধ, চাকরি না পাওয়া, বিয়ে না হওয়া এবং বাবা মারা যাওয়া, এসব বিষয় মানতে না পেরে মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, ফাহমিদা রহমান নন্দিনী আত্মহত্যা করার আগে বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, হতাশাগ্রস্ত হয়েই আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তাদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বিবন্দী গ্রামে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১৯
সূত্র : ঢাকাপোষ্ট




