‘University of Hertfordshire’র প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান।
হার্টফোর্ডশায়ার এ বাংলাদেশী সোসাইটির বর্ণিল এ আয়োজনে, এই ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সহায়তায় এবং বাংলাদেশী ও বিভিন্ন কমিউনটির অংশগ্রহণে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান।
জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে সূচনা হয় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানসূচীর। দেশাত্মবোধক গান-কবিতায় মুখোরিত হয়ে ওঠে দিনটি।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সোসাইটির চেয়ারপার্সন মোঃ নাফিস ফুয়াদ নিলয়, বাংলাদেশী সোসাইটির উপদেষ্টা জুবায়ের আহমেদ, ইনক্লুশন অফিসার রবিন, এবং স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ছিলেন কাজী আবদুস শাকুর, মায়মুন এবং মনিরুজ্জামান মজিদ এভেন্টের ম্যানেজার ছিলেন ইফতেকার সিদ্দিকী ইফতি।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- Herts SU এর প্রেসিডেন্ট রায়ানন এলিস, এর অ্যাক্টিভিটি সম্পর্কিত ভাইস প্রেসিডেন্ট সাজ, কমিউনিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট ওসামা, শিক্ষা বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আমান এবং সোসাইটি কো-অর্ডিনেটর ইভা।
আয়জকরা বলেন "বিদেশের মাটিতে দেশের জাতীয় উৎসবের মতো অনুষ্ঠান পালন সমগ্র প্রবাসী তথা বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং প্রশান্তির একটি বিষয়। এটা কেবল আমাদের যাত্রার শুরু। বাংলাদেশের বাকি দিবসগুলোও আমরা এভাবে পালন করবো । আর এভাবেই বিদেশের মাটিতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমরা ছড়িয়ে দেবো বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে।"
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙে প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে। ২৪ বছরের শৃঙ্খল ছিন্ন করে জাতি অবলোকন করে এক নতুন সূর্যোদয়। প্রভাত সূর্যের রক্তাভ ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। মুক্তির আনন্দ এই দিনে এক নতুন উল্লাস জাতিকে প্রাণ সঞ্চার করে সজীবতা এনে দেয়। যুগ যুগ ধরে শোষিত বঞ্চিত বাঙালি চোখে আনন্দ অশ্রু আর ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় সামনে। বিন্দু বিন্দু জমে ওঠা স্বপ্নেরা অবশেষে মিলিত হয় জীবনের মোহনায়। বিশ্বের বুকে বাঙালি দাঁড়ায় মাথা উঁচু করে।
এই ইভেন্টের মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে ছিলো Brandslancer. সুন্দর ও অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের সাথে Brandslancer সবসময় ছিলো এবং আগামীতেও এর ধারা বেগবান হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৮




