সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান ভক্তদের চমক দিয়েছেন। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে ফেসবুকে নতুন কিছু খোলামেলা ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। এতে চোখে গাঢ় কাজল আর কালো পোশাকে মোহনীয়তা ছড়াচ্ছেন আবেদনময়ী এ অভিনেত্রী।

ছবিগুলো শেয়ার করার পর কয়েক ঘন্টায় বেশ কয়েক হাজার শেয়ার হয়ে গেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে জয়ার এমন ছবি দেখে কমেন্ট বক্সে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ভক্তরা। তাও কয়েক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে কমেন্ট বক্সে কেউ কেউ টিপ্পনীও কাটতে ছাড়ছেন না।


 

মডেল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান ঢাকাই ছবির পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রেও কাজ করেন। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পূর্বসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

জয়ার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ব্যাচেলর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। পরে দীর্ঘ ৬ বছর পর নুরুল আলম আতিক পরিচালিত ডুবসাঁতার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০১১ সালে তানিম নূর পরিচালিত ফিরে এসো বেহুলায় অভিনয় করেন।

জয়ার নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সৈয়দ শামসুল হক’র নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত গেরিলা চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে এবং রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি চলচ্চিত্রে সাংবাদিক নবনী আফরোজ চরিত্রে অভিনয় করে টানা দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

এরপর তিনি অনিমেষ আইচ পরিচালিত জিরো ডিগ্রী (২০১৫) ও অনম বিশ্বাস পরিচালিত দেবী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে আরও দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

 

প্রসঙ্গত, জয়া আহসান জন্মগ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ জেলায়। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। তারা দুই বোন এক ভাই। অভিনয় শুরুর আগে জয়া নাচ ও গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি ছবি আঁকা শিখেছিলেন। তিনি একটি সংগীত স্কুলও পরিচালনা করেন।

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ নাজাত-০৯