যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযোদ্ধে শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা ও উন্মুক্ত আলোচনা হয় এবং ৭ই মার্চ দিবসের উপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের দূতালয় প্রধান মো.মহিউদ্দিন কায়েছ,শ্রম সচিব মো.মাহফুজ রহমান, প্রথম সচিব মো.ইলিয়াছুর রহমান,তৃতীয় সচিব তাছির উদ্দিন সহ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও বাহরাইনে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন এবং বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম যা মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে ধ্বনিত হয়েছিল বাঙালি জাতির মুক্তির মহামন্ত্র। মূলত ৭ মার্চের ভাষণেই নিপীড়িত-নির্যাতিত বাঙালি জাতি খুঁজে পেয়েছিল শোষণমুক্তির কাঙ্ক্ষিত পথ। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে অথনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়াও আর্থ সামাজিক নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নতি সাধন করেছে। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যের শেষে বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশী সবাইকে জাতির জনকের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
পরিশেষে, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের পাশাপাশি বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য রাষ্ট্রদূত কাতারে অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘দূত সন্মেলনে’গত (৬-৭ মার্চ)অনুষ্ঠানে যোগদান করায় যথা সময়ে অনুষ্ঠান হয়নি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আশফাক/ নাজাত




