বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত সচিব মো. আলমগীর তামাবিল স্থল বন্দর পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় বলেন, তামাবিল স্থলবন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ও স্বাভাবিক রাখতে সরকার সহায়ক পরিবেশ তৈরী করে দিয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন।
 

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের সকল স্থলবন্দরকে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরী করে দেওয়া হয় এবং প্রতিটি স্থলবন্দরকে আধুনিকায়ন করে নিমার্ণ করা হয়।
 


তামাবিল স্থলবন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে তিনি বন্দরের সকল ব্যবসায়ীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, চলিত বছরে তামাবিল স্থল বন্দরের অবকাঠােমাগত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। ব্যবসায়ীদের আমদানী-রপ্তানীকৃত মালামাল মজুদ রাখা ও পরিবহন সুবিধায় অবকাঠােমাগত উন্নয়ন করা হয়।
 

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবীর প্রেক্ষিতে স্থল বন্দরের ৫ কিলোমিটার এলাকার আমদানীকৃত পাথর মজুদ রাখার বিষয়ে তিনি জানান, কাস্টমস অনুমতি দিতে পারে, আমি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে করতে হবে। তামাবিল সীমান্তে আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারত পোর্ট নিমার্ণ কাজ প্রায় শেষ করেছে, আমরা আশা করি তাদের চেয়ে আরও উন্নত সুবিধা দিতে পারব আমরা।

রবিবার (১২ মার্চ) সকাল ১১টায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও  ষ্টেকহোল্ডারসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
 

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. সারোয়ার আলম, তামাবিল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম ভূইয়া, ৪৮ বিজিবি উপ-অধিনায়ক মেজর রিয়াদুল ইসলাম, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের উপ-কমিশনার সোলাইমান হোসেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) তানভীর হোসেন, তামাবিল সংগনিরোধ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ, সোনালী ব্যাংক তামাবিল শাখার ব্যবস্থাপক ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জাতীয় গোয়োন্দা সংস্থা এনএসআই'র সহকারী পরিচালক ইমরান হোসেন, তামাবিল চুনাপাথর, পাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি লিয়াকত আলী, সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিন্টু মিয়া, সহ-সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আব্দুল আহাদ, জাকির হোসেন, তামাবিল ইমিগ্রেশনের এস আই রনু মিয়া, ব্যবসায়ী মো. শাহ রব, সৈয়দ শামীম আহমদ ও আনোয়ার হোসেন। এছাড়া তামাবিল স্থলবন্দরের অন্যান্য স্টেক হোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/সাব্বির/এসডি-২১