সিলেটের ওসমানীনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুর্ধর্ষ ৩ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত (২ এপ্রিল) রাতে ওসমানীনগরের ভাগলপুর এলাকায় থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। 

পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে আরেক ডাকাতকে ওসমানীনগর উপজেলার পূর্ব সিরাজনগর এলাকা থেকে আরেক ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। 


প্রথমে গ্রেফতারকৃত ৩ ডাকাত হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলি থানার রসুলপুর গ্রামের মৃত চেনু মিয়া ওরফে ছেনু মিয়া মেরাজের ছেলে মোখলেছুর রহমান (৩৯), সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার নসিয়রপুর গ্রামের মৃত তৈয়ব উল্লাহর ছেলে আবুল হোসেন রিপন (৩৪), মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানার রশিদপুর (আব্দুল্লাহপুর) গ্রামের জমির আলীর ছেলে সুজাত আলী (২৭)। 

তাদের দেওয়া তথ্যমতে পরে অভিযান চালিয়ে ওসমানীনগর উপজেলার পশ্চিম তিলপাড়া গ্রামের মহিবুল্লাহর ছেলে নজরুল ইসলামকে (৪৭) গ্রেফতার করে পুলিশ। 

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়- গত ২ এপ্রিল রাতে উপজেলার ভাগলপুর এলাকায় একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে মোখলেছুর, রিপন ও সুজাত- এই তিন ডাকাতকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি চাকু, ২টি বড় ছুরি, ১টি চাপাতি, ১টি কুড়াল, ১টি দা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ। 

পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে ডাকাত নজরুলকে গ্রেফতার করা হয়।  

পুলিশ জানায়, ডাকাত মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে সিলেটের গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১টি, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতয়ালি মডেল থানায় ২ টি, এয়ারপোর্ট থানায় ৪টি ও শাহপরাণ থানায় ২টি, হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানায় ১টি, চুনারুঘাট থানায় ১টি এবং মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি থানায় ১টিসহ মোট ১২টি হত্যা, চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। এগুলো আদালতে বিচারধীন।

ডাকাত আবুল হোসেন রিপনের বিরুদ্ধে সিলেটের গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১টি, বালাগঞ্জ থানায় ২টি, বিশ্বনাথ থানায় ১টি, ওসামানীনগর থানায় ১টি এবং কানাইঘাট থানায় ১টি, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতয়ালি মডেল থানায় ১টি ও এয়ারপোর্ট থানায় ১টিসহ মোট ৮টি চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা রয়েছেয়। 

ডাকাত নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সিলেটের গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১টি, ওসামানীনগর থানায় ৩টিসহ মোট ৪টি ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারধীন।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম