পর্যটন নগরী সিলেট। বলা হয় পুণ্যভূমিও।কারণ এই সিলেটে শায়িত আছেন ৩৬০ আউলিয়া। আর তাঁদের সর্দার হযরত শাহজালাল (র.)। সিলেট ঘুরতে আসলে শাহজালালের মাজারে যান না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। হোক হিন্দু-মুসলিম কিংবা যেকোন ধর্মের মানুষ। আর সিলেটে আসলে শাহজালালের মাজারে গেলে শান্তি পান মানুষ এমনটাই বলছেন সিলেটে আসা পর্যটকরা।
আজ বৃহস্পতিবার থেকে টানা তিনদিনের ছুটিতে বাংলাদেশ। ছুটির এই সময়ে পর্যটকদের ঢল নেমেছে সিলেটে। লাখো পর্যটক এসেছেন সিলেটে এমনটি বলছেন সিলেটের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
সারাদিন পর্যটকরা সিলেটের জাফলং,সাদাপাথর,বিছনাকান্দি, রাতারগুল কিংবা অন্য পর্যটন স্পট ঘুরে বিকেলে পর্যটকদের সমাঘম ঘটেছে নগরীর দরগাহ এমাকায় অবস্থিত হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজারে। আজ বাদ আছর থেকেই মাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে মানুষের ঢল। সময় যত গড়িয়েছে ততই বাড়তে দেখা গেছে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা মানুষের। মাজারের খোলা মাঠে পা ফেলারও জায়গা নেই। চোখ জুড়ালেই শুধু মানুষ আর মানুষ। অবশ্য অন্য ছুটির যেকোন সময়ও এভাবে ঢল নামে পর্যটকদের। মাজারে এসে কেউ নামাজ পড়ছেন, কেউ দুরুদ, তসবিহ পড়ছেন কেউ বা মনের বাসনা পূরন করতে মহান আল্লাহর দরবারে হাত উঠিয়ে কায়মনোবাক্যে করছেন প্রার্থনা।
এসময় মাজারে আসা অনেকের সাথে কথা হয় সিলেটভিউ’র এ প্রতিবেদকের। এক বাক্যে তাঁরা বলেছেন, সিলেট এলেই শান্তি লাগে। আর এ শান্তির জায়গা হযরত শাহজালাল (র.)। নোয়াখালীর সুনাইমুড়ি থেকে এসেছেন ফকির বাদশা। তিনি বলেন, সিলেট বারবার আসতে মন চায়। এ নিয়ে ৭ বার সিলেটে এসেছি।
চুয়াডাঙ্গা থেকে সিলেট ঘুরতে এসেছেন সীমা আক্তার। সারাদিন বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে সন্ধ্যায় এসেছেন শাহজাজাল (র.) মাজারে। তিনি বলেন, কত পাপ করি। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে শাহজাজালালের মাজারে এসে হাত উঠিয়েছি। এখানে এসে দোয়া করলে মন যেন শীতল হয়ে যায়। যেন প্রশান্তির ছোঁয়া লাগে। এমনই বলেন, মানিকগঞ্জ থেকে আসা ইমদাদ। চাকরি থেকে ছুটি পেলেই ঘুরতে আসেন সিলেটে। আর সিলেট মানেই যেন তাঁর কাছে হযরত শাহজালাল।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/জুনেদ



