ছবি: সংগৃহীত

সেই ১৯৯৫ থেকেই আছেন আওয়ামী রাজনীতির সাথে। একজন সাধারণ কর্মী থেকে উঠে এসেছেন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটিতে। দায়িত্ব পালন করছিলেন উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসাবে।

 

তবে শনিবার (৩ মে) থেকে তিনি আর আওয়ামী লীগের কেউ নয়। পদত্যাগ করেছেন উপ-দপ্তর সম্পাদকের পদ থেকে। সেই সাথে দলের সাথে নিজের সব সর্ম্পকই ছিন্ন করলেন নুরুল হক।

 

তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার জানাইয়া গ্রামের মৃত আব্দুল আলীর পুত্র ও বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।

 

নুরুল হক শনিবার বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরাবর তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যও রেখেছেন।

 

বলেছেন, কেবলমাত্র আওয়ামী লীগই নয়, এখন থেকে আমি আর রাজনীতির সাথে নেই। কোনো দলের সাথে আমার আর সম্পৃক্ত নই।

 

হঠাৎ রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার কারণ প্রসঙ্গে তেমন কিছুই বলেন নি। কেবল পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন।

 

সেই সাথে অনুরোধ করেছেন দলীয় কোনো কর্মসূচি নিয়ে তার সঙ্গে যেনো  কেউ কোনো যোগাযোগ না করেন।

 

তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে দলীয় নেতাকর্মীদের অবস্থান নিয়ে চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন নুরুল হক। একসময়  আওয়ামী রাজনীতির সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথা জানেন সাধারণ নেতাকর্মীরা। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে রাজনীতির অঙ্গনে থাকা তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকির বলেই ধারনা নুরুল হক ও তার পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনের। আর তাই এমন সিদ্ধান্ত।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে