নাটোরের লালপুর উপজেলার কেশবপুর স্কুল মাঠে স্থানীয় একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বিশেষ অতিথি হতে চেয়েছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মারুফ আলী। নেতাকে করতে চেয়েছিলেন প্রধান অতিথি। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি আয়োজকেরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খেলা পণ্ড করতে এলাকায় মাইকিং করে প্রচার করেন, ‘১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তার এই ঘোষণায় বিভ্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত ফাইনাল ম্যাচটি স্থগিত করে দেন আয়োজকেরা। ২১ আগস্ট (শুক্রবার) বিকেলে ফাইনাল ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর কথা ছিল।
বেআইনিভাবে ১৪৪ ধারা জারি করে মাইকিং করা সেই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে এবার সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছাত্রদল নেতা মারুফকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে নাটোর জেলা ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বহিষ্কারাদেশের চিঠিতে বলা হয়েছে, রবিবার (২৩ আগস্ট) মারুফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশের সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি। বরং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তিনি স্বীকার করেছেন। এ অবস্থায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
নাটোর জেলা ছাত্রদলের সহকারী দপ্তর সম্পাদক কে. এফ. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বহিষ্কারাদেশ জানানো হয়। কামরুল ইসলাম জানান, ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখা হবে।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ১৪৪ ধারা জারি করে ছাত্রদল নেতা মাইকিং করেছেন বলে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেননি। ফলে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/আশিক/০২




