সম্প্রতি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় উপাচার্যের দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ। তার প্রতিবাদলিপিটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যে আমার সম্পর্কে যে সকল মন্তব্য করা হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে ভিসি মহোদয় আমাকে হেয় ও অবজ্ঞার সুরে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডেড উল্লেখ করে ‘মাত্র ১টি বি.পি.এড. ডিগ্রির মাধ্যমে চাকরিতে নিয়োগ পাওয়া, আমার বস (পরিচালক) কে সুপারসিড করে ডেপুটি ডাইরেক্টর পদে উন্নীত হওয়া এবং বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে ডাইরেক্টর (ইনচার্জ) নিযুক্ত হওয়া’ সংক্রান্ত যে বক্তব্য প্রদান করেছেন, তা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বাস্তবতা বিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর।
এই বক্তব্য আমার সামাজিক, ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার শামিল। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিয়োগ প্রক্রিয়া, পদোন্নতি ও দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত সকল তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাতিষ্ঠানিক নথিতে সংরক্ষিত রয়েছে, যা প্রকৃত সত্যের বিশ্বস্ত প্রমাণ। ভিসি মহোদয়ের বক্তব্যের সাথে বাস্তবতার নুন্যতম কোন সামঞ্জস্যতা নেই। একজন দায়িত্বশীল ও সম্মানিত পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির কাছ থেকে যথাযথ যাচাই-বাছাই ব্যতিরেকে এ ধরনের ভিত্তিহীন বক্তব্য কখনো কাম্য নয়। বরং তা তাঁর পদমর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে আমি মনে করি।
এমতাবস্থায়, আমি ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের উক্ত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার, প্রকাশ্যে সংশোধনী প্রদান এবং লিখিত দুঃখ প্রকাশের জোর দাবি জানাচ্ছি।
উল্লেখিত দাবি যথাসময়ে পূরণ না হলে আমার সামাজিক মর্যাদা, পেশাগত সুনাম ও আইনগত অধিকার রক্ষার্থে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার আমি সংরক্ষণ করছি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/বিজ্ঞা/এসডি-১৪




