চা-বাগানের সবুজ, টিলা পাহাড়ের হাতছানি আর মেঘের আনাগোনায় সিলেটের প্রকৃতি বরাবরই মুগ্ধতা ছড়ায়। তবে প্রকৃতির এমন স্নিগ্ধতার বিপরীতে বাংলাদেশ দলের ভেতরে এখন বেশ অস্বস্তি। 

 


মিরপুরের দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। যেখানে লক্ষ্য একটাই- হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।

 

সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর থেকে আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। টানা সাত ম্যাচে জয়হীন টাইগাররা। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষেও হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় স্বাগতিকরা।

 

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায়।

 

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলেন, 'ডারউইনের পর থেকে আমরা জিততে পারিনি। বিশেষ করে ব্যাটিং ভালো হয়নি। ডারউইনে আমরা নিজেদের সামর্থ্য, দৃঢ়তা ও ইতিবাচক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিলাম। এরপর যে সংস্করণগুলোতে খেলেছি, সেগুলোতে ব্যাটিং ভালো হয়নি। উইকেট দেখে ভালো মনে হচ্ছে। গত বছর কিংবা এ বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এখানে যে উইকেটে খেলেছিলাম, সেটির মতোই মনে হচ্ছে। ভালো ক্রিকেট উইকেট হবে বলে আশা করছি।’

 

সিলেটের উইকেটে সাধারণত পেসাররা বাড়তি সুবিধা পান। তাই তাইজুল ইসলামকে বসিয়ে তিন পেসার নিয়ে নামার ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। সিমন্সও লুকালেন না তাইজুলের ফর্ম নিয়ে শঙ্কার কথা। 

 

'এটা সত্যিই উদ্বেগের, কারণ তাইজুল এই দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র। তবে স্পিন আমাদের শক্তির বড় জায়গা। এই সিলেটে আগের ম্যাচেই দুই স্পিনার আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছিল। স্পিনারদের ওপর এখনও আমাদের আস্থা আছে।'

 

মিরপুরে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল ক্যাচ মিসের মহড়া। ফিল্ডিংয়ের সেই ব্যর্থতা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগার কোচ। 

 

'আমাদের চেয়েও ভালো ফিল্ডিং দল অনেক সময় এক ম্যাচে একাধিক ক্যাচ ছাড়ে, তাই বলে তারা খারাপ দল হয়ে যায় না। প্রথম টেস্টে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত সুযোগ হাতছাড়া করা মানায় না। আশা করি সিলেটে এমন ভুল আর হবে না।'

 

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/আশিক-১৪