ওপার বাংলার বর্ষীয়ান গায়ক কবীর সুমনকে নিয়ে আবারও উত্তাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। কিছুদিন আগেই সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে ৯০ বছর বয়সে পদ্মশ্রী দেওয়ায় নিন্দা জানিয়েছিলেন ‘নাগরিক কবিয়াল’। এ নিয়ে এক সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। অবশেষে ক্ষমা চেয়েছিলেন সুমন।
আবারও কবীর সুমনকে নিয়ে ফেসবুকজুড়ে একের পর এক পোস্ট চোখে পড়ছে। অনেককেই নাম ধরে কটাক্ষ করেছেন। কেউ বা তার গানের কথা দিয়েই তাকে বিঁধেছেন।
এই সমস্যার সূত্রপাত কবীর সুমনের লেখা একটি কবিতা। ‘পূর্বাকে’ শিরোনামে সুমনের কবিতাটিকে ‘অশালীন’, ‘মস্তিষ্ক বিকৃত’ বলে আখ্যায়িত করছেন। অনেকেই বলছেন, কবিতার পূর্বা আসলে কবি ও গীতিকবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী দূর্বা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনের গোপন শারীরিক সম্পর্ককে ইঙ্গিত করেই নাকি এই কবিতা লিখেছেন সুমন।
কবিতাটির বিষয়বস্তু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নজন তাদের মত দিচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন সাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার, অভিনেতাও। তালিকায় আছেন প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিনও। তিনি নিজের ফেসবুকে লেখেন আরেকটি ছোট্ট কবিতা। অশালীনতায় সুমনের কবিতাটিকেও ছাড়িয়ে গেছে তসলিমার লেখা কবিতাটি। পুরো কবিতায় সুমনের বিশেষ অঙ্গ নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা খেলেছেন তসলিমা। সেই বাক্যগুলো ছাপার অযোগ্য বলে এখানে উল্লেখ করা গেল না।
পশ্চিমবঙ্গে সাহিত্যিক সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার টাইমলাইনে লিখেছেন, ‘আমি বলেইছিলাম কবীর সুমনের একদম মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে গেছে। ছিঃ!’
অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ও লিখেছেন, ‘মানুষ হওয়া ছেড়েছ তো কয়েক বছর আগে,
তোমার কি জন্তু হতে এতো ভালো লাগে?’
যদিও উপর্যুপরি বাজে মন্তব্যের কারণে গতকাল রাতে পোস্ট করা কবিতাটি ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন সুমন। তবে কি আবারও ক্ষমা চাইবেন ‘নাগরিক কবিয়াল’? মুছে ফেললেও কবিতাটি ঠিক রয়ে গেছে অনেকের কাছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-২৭
সূত্র : কালের কণ্ঠ




