আবহাওয়া বার্তার পূর্বাভাস অনুযায়ী অব্যাহত বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি আবারও ঢলে বাড়ছে সুনামগঞ্জের সকল নদনদীর পানি। জেলার অন্যতম নদী সুরামর পানি বিপদসীমা ৩৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷ এছাড়াও জেলার কুশিয়ারা, বৌলাই, যাদুকাটা,খাসিয়ামারাসহ অন্যান্য নদীর পানিও বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।
নদীতে পানি বৃদ্ধির কারনে দ্বিতীয় ধাপে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। জেলার ছাতক,দোয়ারাবাজার, সদর, বিশ্বম্ভপুর এবং তাহিরপুরে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।
সুনামগঞ্জ শহরের নবীনগর, বড়পাড়া, সাহেববাড়ী ঘাট, জেলরোড, কাজির পয়েন্ট,উকিলপাড়া পষ্চিম হাজিপাড়াসহ অন্তত ৮ পয়েন্ট পানি উঠায় ভোগান্তিতে নগরবাসী। শহরের রাজপথ বন্যায় কবলিত। যানচলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণের। পাহাড়ি ঢলে তাহিরপুর আনোয়ারপুর এবং ছাতক- গোবিন্দগঞ্জ সড়কে পানি উঠে সড়ক নিমিজ্জিত থাকায় এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলা শহরের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিপাকে এসব এলাকার বাসিন্দারা।
এদিকে সিলেট আবহাওয়া অফিসূত্রে জানা যায়, আজ (১৫ জুন) থেকে আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত সুনামগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। ১৮ জুনের পরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমদ চৌধুরী।
এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম। এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ারার পাশাপাশি মানবিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বন্যা মোকাবেলা সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
শহরের পশ্চিম তেঘরিয়ার বাসিন্দা দিলদার হোসেন বলেন, রাতে বৃষ্টিপাত হওয়ায় পরই সকালের দিকে শহরের একাধিক পযেন্টে পানি প্রবেশ করেছে। রাস্তাঘাট ও মানুষের ঘরবাড়িতে পানি। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। বানভাসিদের সহযোগীতায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান তাঁর।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / শআ / ইআ




