সিলেট এয়ারপোর্ট রোডে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঈদের দিন (রোববার) রাত সোয়া ১১টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের রাস্তায় এয়ারপোর্ট হাই স্কুলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত যুবকের নাম মো. শরীফ উদ্দিন খান (৪০)। তিনি ওসমানী বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশনের (সিটা অফিস) ‘ইঞ্জিনিয়ার অপারেশন’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শরীফের বাড়ি যশোরে। 
 
দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা শরীফকে উদ্ধার করে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার (১১ জুলাই) বিকেলে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। 


শরীফের মৃত্যুর খবর তাঁর একটি ঘনিষ্ট সূত্র সিলেটভিউ-কে নিশ্চিত করেছে। তবে পুলিশ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও জানাতে পারছে না। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে  জানা গেছে, শরীফ ঈদের দিন রাতে সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে ডিউটি শেষে হেটে বাসায় ফিরছিলেন। বিমানবন্দরে প্রবেশের রাস্তায় এয়ারপোর্ট হাই স্কুলের সামনে আসামাত্র দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। মোটরসাইকেলটির চালক এসময় মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আব্দুর রহমান ফাহাদও (২৭) আহত হয়েছেন। তিনি নগরীর রাজারগলির ৯১ নং বাসার আব্দুর রকিবের ছেলে। 
 
এদিকে, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে আরে আগেই স্থানীয়রা গুরুতর আহত শরীফকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করে। শরীফের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা। শনিবার বিকেলে তিনি সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির সিলেটভিউ-কে বলেন, ঈদের দিন রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় শরীফকে সিলেট থেকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। আমরা অফিসিয়ালি এখনও মৃত্যুর খবর পাইনি।

দুর্ঘটনা ঘটানো মোটরসাইকেলটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে জানান ওসি মাইনুল জাকির। 


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম