মিছিলের সম্মুখে ছাত্রদল নেতা কুটি আর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কুটি ও ইব্রাহিম

সুনামগঞ্জে এক ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে যুবদল ও ছাত্রদলের তিন নেতা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মুক্তারপাড়ার আবদুল সালামের ছেলে সাদাত আল রেজওয়ান রাজকে গ্রেফতার করেছে। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে মারামারিতে এই তিনজন আহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ছাত্রলীগের মারামারিতে যুবদল ও ছাত্রদল নেতা আহত হওয়ার ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে। 

 


আহতরা হলেন- সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার উত্তর আরপিননগরের মৃত মকসদ আলীর ছেলে মো. মোশাহিদ রহমান কুটি, সোমপাড়ার নুরুল আহমদের ছেলে শামীম আহমদ ও মল্লিকপুরের সাদ্দাম মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম আলী। 

 

এ ঘটনায় মো. মোশাহিদ রহমান কুটি বাদি হয়ে শুক্রবার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন।

 

মামলার আসামীদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নোমান বখত পলিনও রয়েছেন। বাকি আসামীরা হলেন- পৌরসভার মুক্তারপাড়ার আবদুস সালামের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সাদাত আল রেজওয়ান রাজ, কালিবাড়ির সুদীপ দে’র ছেলে ছাত্রলীগ নেতা বিশাল দে, একই এলাকার মো. মাহফুজুর রহমানের ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মো. তানজিলুর রহমান ও আরপিননগরের ইয়াকুব বখত বহলুলের ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ইফতি বখত। 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদ চৌধুরী ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপন গ্রুপের নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রলীগ নেতা সাদাত আল রেজওয়ান রাজের মারামারি হয়। এসময় রফিক ও রিপন গ্রুপের পক্ষে মারামারিতে অংশ নেন ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় মোশাহিদ রহমান কুটি, যুবদল নেতা শামীম ও ইব্রাহিম। মারামারির এক পর্যায়ে রাজের এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতে তিনজনই আহত হন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

 

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মারামারির ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। এরমধ্যে রাজকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


 
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজ স্বীকার করেছে তার ছুরিকাঘাতে ওই তিনজন আহত হয়েছেন।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/এসএনএ/জেপি