সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতিসহ দুজনকে দেশীয় আগ্নেয়ান্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাবিবুর রহমানের কামলাবাজ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।


আটককৃতরা হলেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. হাবিবুর রহমান (৬০)। তিনি উপজেলার ভীমখালি ইউনিয়নের কামলাবাজ গ্রামের মৃত আকবর উল্ল্যাহর ছেলে, অপরজন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের সাচনা বাজার গ্রামের প্রয়াত শেখ মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সরকারের বিরুদ্ধে গোপন মিটিং চলাকালে তাদের দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় পুলিশ তার বাড়ি থেকে জিহাদি অনেক বই, লিফলেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানার এস আই মো. জুলহাস নিজে বাদি হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মো. হাবিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অন্যান্যা আসামীরা হলেন, আটককৃত উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম (৫০), পলাতক শাহপুর গ্রামের প্রয়াত মো. আব্দুল বারীর ছেলে জামায়াত নেতা ফখরুল আলম চৌধুরী(৫০), মানিগাঁও গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে রুমেল (৩৪), ফেনারবাঁক গ্রামের মৃত আব্দুল মোমেনের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৫০), তেলিয়া গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলেমো. আব্দুল মুহিত (৪৫), তেলিয়া নতুনপাড়া গ্রামের আব্দুল কদ্দুছের ছেলে মো. শফিক মিয়া (৩৫), শাহপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৫৫), রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে শেরু আলম (৫০), তেলিয়া গ্রামের মৃত রজিম উল্ল্যাহর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৫), শুকদেবপুর গ্রামের মাওলানা আব্দুল আওয়াল (৭০), নোয়াগাঁও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৩০)। এছাড়াও মামলায় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের বলেন, মামলার আসামিরা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে গোপন বৈঠক করছিল। তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মিলিত হয়।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ঢাটা/জেপি