এ বছরও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে প্রায় ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। সিলেটে এ হার ১৪ শতাংশ। 

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। তাদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৩ জন। বাকিরা অনিয়মিত ও ফল উন্নয়নপ্রত্যাশী। সারাদেশে ২৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করলেও সেখান থেকে ঝরে গেছে চার লাখের বেশি। ঝরে পড়াদের মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীই বেশি। এ হার ৬২ দশমিক ৬৩ শতাংশ বলে জানা গেছে।


এদিকে, সিলেট বোর্ডের অধীনে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ পরীক্ষার্থী। অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলেদের তুলনায় মেয়ে সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৬৫ জন বেশি।

সিলেট বোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (এসএসসি) এবার ছেলে ৪৯ হাজার ৪১৮ এবং মেয়ে ৬৬ হাজার ৯৪৬ জন। তন্মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ২৩ হাজার ৩০৩ জন, মানবিকে সর্বাধিক ৮৪ হাজার ২২৯ এবং ব্যবসায় ৮ হাজার ৮৯৫ পরীক্ষার্থী।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ চন্দ্র পাল জানান, বোর্ডের অধীনে ৯৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৩৫৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হবিগঞ্জে ১৬৭টি, মৌলভীবাজারে ১৮৭টি এবং সুনামগঞ্জে ২১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অংশগ্রহণকারীরা ১৪৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন।

তবে রেজিস্ট্রেশনের তোলনায় ঝরে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী।  সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে মাদরাসা বোর্ডে আর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যশোর বোর্ড। এ বছর যশোর বোর্ডে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯৭ জন পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯০ জন। পরীক্ষা দিচ্ছে না ৩৩ হাজার ৪০৭ জন বা ১৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। ঝরেপড়ার হারে সাধারণ বোর্ডের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা বোর্ড। ওই বোর্ডে ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এছাড়া ঢাকায় ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১২ দশমিক ৩১ শতাংশ, বরিশালে ১৫ দশমিক ১৫ শতাংশ, সিলেটে ১৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ১৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ঝড়ে পড়েছে ১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম