ছবি : আহমেদ রুবেল

ছয় ঋতুর দেশে যেন উলট-পালন হয়ে গেছে গরম-শীতের দিন। গ্রীষ্মের দুই মাস বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ। কিন্তু গ্রীষ্মকাল শেষে নাতিশীতোষ্ণ শরতেও রাত পোহালেই সিলেটবাসীকে পুড়াচ্ছে কাঠফাটা রোদ। গত তিন দিন থেকে তীব্র গরমে সিলেটে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে বইছে অসহনীয় তাপপ্রবাহ। ফলে ওষ্ঠাগত এ অঞ্চলের জনজীবন। শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে- ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাপমাত্রা সামান্য কিছুটা কম। 


আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, বাতাসে শিউলিফুলের ঘ্রাণ নিয়ে প্রকৃতিতে এসেছে চিরায়ত বাংলার ‘ঋতুরানী’ শরৎ। কিন্তু জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে নিয়মমাফিক ঋতুচক্রের চিত্র এখন সিলেটে আর নেই। গত তিন দিন থেকে ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি উঠেছে চরমে। দিনের মতো রাতেও থাকছে ভ্যাপসা গরম।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে আরো ২ দিন। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের অদূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করায় এমন আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। লঘুচাপ আরও ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সিলেটে দুদিন পর থেকে কোথাও কোথাও মাঝারি বা ভারী বর্ষণ হতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানান, মূলত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবেই এই তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ চলবে আরো ২দিন। রবি অথবা সোমবার থেকে সিলেটে বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম