ঘটনার পর আহতদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে ঘটনাস্থল ও ঢাকা মেডিক্যাল এলাকা। এমন অবস্থায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ঢামেকে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভবনের ভেতরে অনেক মানুষ এখনও আহত পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 


এ ঘটনার পর আহতদের রিকশা, ঠেলা গাড়ি, ট্রাক, গাড়ি, এ্যাম্বুলেন্সসহ যে যেভাবে পারছে আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।

জানা যায়, ভয়াবহ এ বিস্ফোরণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এমনকি বিস্ফোরণের ফলে ভবনের ভেতরের জিনিসপত্র বাহিরের রাস্তায় চলে এসেছে।

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে ভবনের ইট, বালু উড়ে গিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ভবনের আশেপাশের মানুষও গুরুতর আহত হন।

এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় অনেক মানুষ চমকে গিয়েছেন। অনেক মানুষকে উদ্ধার করে এই মুহূর্তে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আহতদের রক্তদানে স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর গুলিস্তানে বিস্ফোরণের আসল কারণ দুয়েক দিন পরে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, বিস্ফোরকের কোনো গন্ধ পাওয়া যায়নি। এছাড়া ঘটনাস্থলে কোনো স্প্রিন্টার পাওয়া যায়নি। তবে সব বিষয়কে কাজ মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি, আমাদের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

ঘটনাস্থলের পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, বিকট শব্দ হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে। ভবনটি রাস্তার একদম পাশে। এতে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছে। আহতের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। তবে এই মুহূর্তে হতাহতের সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়। যদিও ভবনটি ধসে পড়েনি, তবে বিস্ফোরণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ বলা যাবে না।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/পল্লব-২০