ছবি: সিলেট ভিউ গ্রাফিক্স।
সিলেট মহানগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাসহ নিহত মো. আব্দুস সাত্তার এলাকায় একজন সজ্জন প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও ব্যবসায়ী নেতা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল।
বুধবার সকালে রায়নগর মিতালী-১১১ নম্বর ‘নিকুঞ্জ ভিলা’র দ্বিতীয় তলার নিজ বাসায় স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনাসহ খুন হন আব্দুস সাত্তার।
সূত্র জানায়, আব্দুস সাত্তারের ৪ ছেলে-মেয়ের মধ্যে এক ছেলে ও এক মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ও দুইমেয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকায় পাশাপাশি তিনতলা দুটি বাসার মালিক তিনি। এর মধ্যে নিকুঞ্জ ভিলার দ্বিতীয় তলায় তিনি বাস করতেন। দুই বাসার বাকি ফ্ল্যাটগুলোতে ভাড়াটে থাকেন। ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় রায়নগর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সাত্তার খুবই সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। এলাকায় কারও সাথে কোন বিরোধ ছিল না।
সূত্র আরও জানায়, আব্দুস সাত্তারের গ্রামের বাড়ি বিয়ানীবাজারের আখাখাজনায়। মিতালী আবাসিক এলাকার পুরনো বাসিন্দাদের একজন তিনি। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন আব্দুস সাত্তার। নগরের কালিঘাটে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলেন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচিত পরিচালকও ছিলেন।
রাজনীতিতেও একসময় সক্রিয় ছিলেন আব্দুস সাত্তার। দীর্ঘদিন তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। বয়সের কারণে তিনি বেশ কিছুদিন থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে নেই। বর্তমানে তিনি সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া-১০




