ছবি: সিলেট ভিউ।
সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে পরিবারসহ নিখোঁজ হয়েছেন এমন একটি খবর বৃহস্পতিবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে সিলেটে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরে দাবি করা হয়, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় আলম খান মুক্তি তাঁর পরিবারসহ নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর কিংবা পরিবারের কোনো সদস্যের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলেও প্রচার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে বলা হয়, নেপালের ওই দুর্যোগে নিখোঁজ বাংলাদেশিদের মধ্যে আলম খান মুক্তি ও তাঁর পরিবার রয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের সন্ধানে স্থানীয় প্রশাসন ও নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে এসব তথ্যের সত্যতা নাকচ করে দিয়েছেন সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি। একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছুদিন পরপর তাঁর নামে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে। এবারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটিও ওই গোষ্ঠীর ছড়ানো বলে দাবি করেন তিনি।
আলম খান মুক্তি জানান, কিছুদিন আগে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে নেপাল গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে মেয়েকে দেখতে না পারায় তাঁর মেয়ে কান্নাকাটি করছিল। এ কারণে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই তিনি নেপাল যান। বাংলাদেশ থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এবং ভারত থেকে তিনি নেপালে গিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি নেপালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হওয়ার আগেই তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সেখান থেকে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন বলে জানান।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি আত্মগোপনে রয়েছেন। জানা যায়, ৫ আগস্টের পর মুক্তি ভারতে চলে যান। তবে সম্প্রতি তিনি সপরিবারে নেপাল গিয়েছিলেন। মূলত পরিবারের সাথে দেখা করতেই নেপাল যান তিনি। তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশ থেকে ও মুক্তি ভারত থেকে নেপালে যান। এরমধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে নেপালে দুর্যোগে স্বপরিবারে নিখোঁজ রয়েছেন আলম খান মুক্তি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া-০৭




