আগামী স্থানীয় নির্বাচনে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দিবে। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গেলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইফ ও দলের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউস।
সোমবার বিকালে সুনামগঞ্জ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাথে এক মতবিনিময় সভায় নেতাকর্মীদের এই তথ্য জানা তিনি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের সভাপতিত্বে ও স্বাক্ষর ক্ষমতা প্রাপ্ত সদস্য এডভোকেট আব্দুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন, যিনি আন্দোলন সংগ্রামে দলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। এলাকায় যার গ্রহণ যোগ্যতা অন্যদের চেয়ে এগিয়ে তিনিই দলের সমর্থন পাওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করবেন। তবে সেটি বিবেচনা করবেন দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বিএনপি অনেক বড় রাজনৈতক দল। আমরা স্লোগান দেই ব্যক্তির চেয়ে দল বড়,দলের চেয়ে দেশ বড়। এটা কেবল স্লোগানের বিষয় নয়, এটি উপলব্ধি করতে হবে। অন্তরে ধারণ করতে হবে এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষ কোনো ভোট দিতে পারে নাই। আমাদের দলে অনেক যোগ্যে মানুষ ইতোমধ্য তৈরী হয়েছে। যারা জনগন ও নিজেদের বিবেচনায় প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। কিন্তু একটি নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকলে প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীকে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হবে যদি নিজেদের মধ্যে দ্বিধা বিভক্তি থাকে। সেই জন্যের আমাদের দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিস্কার নির্দেশনা, পৌর সভা, ইউনিয়ন পরিষদে মেয়র,চেয়ারম্যান, মেম্বার হিসেবে আমরা একক প্রার্থী দিবো। বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আর জোর করে জয় চিনি আনবে কেউ এমনটা ভেবে থাকলে তিনি বোকার রাজ্যে বসবাস করছেন। আমাদের নেতা বলেছেন কোনো ব্যক্তির দায় রাষ্ট্র বা দল নিবে না। কোনো ব্যক্তিকে পাশ করানোর দায়িত্ব দল নিবে না। একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করনীয় সব কিছু সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হবে। কেবল মাত্র জনপ্রিয় মানুষ নির্বাচন করে বেরিয়ে আসবে এমনটাই আমাদের দল চায়। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিবে দল তাদের ধারণ করবে না। তাই স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে।
দল সমর্থন না দিলে ধৈর্য্য ধারণের পরামর্শ দেন জিকে গউস।
এসময় তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলা কাউন্সিল শুরু হবে। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে কাউন্সিল শুরু হয়েছে। গণতান্ত্রিক পর্যায়ে দলের কমিটি গঠন করা হবে। দলে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পদক মিফতা সিদ্দিকী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/শহীদনুর/এসডি-১৫




