ফাইল ছবি
সিলেট সীমান্তে একের পর এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী পণ্য আটকের ঘটনায় সীমান্তজুড়ে চোরাচালানের ব্যাপকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য ঢোকার ঘটনাই নয়, বাংলাদেশ থেকেও পাচার হচ্ছে বিভিন্ন দেশীয় পণ্য। ফলে সিলেট সীমান্তে চোরাচালানের নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন সামনে এসেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) একাধিক সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানী পণ্য জব্দ করেছে। বাংলাবাজার, বিছনাকান্দি, দমদমিয়া ও তামাবিল বিওপি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
.gif)
অভিযানে ভারতীয় গরু, ফুচকা, কম্বল ও জুসসহ বিভিন্ন পণ্য আটক করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের সময় শিং মাছও জব্দ করেছে বিজিবি। একাধিক অভিযানে আটক এসব চোরাচালানী পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ২২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
প্রতিদিনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ পণ্য আটকের ঘটনায় সিলেট সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কারা এসব চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত, কোন কোন পথে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এবং কারা বাংলাদেশি পণ্য সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দিচ্ছে—এসব প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।
চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি।
এবিষয়ে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। আটক মালামালের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/মআস-০৪





