সিলেটে ভোজ্যতেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে এখনও তেলেসমাতি অবস্থা বিরাজ করছে। গত কয়েকদিন টাকা দিয়েও মেলেনি সয়াবিন তেল। আজ (রবিবার- ৬ মার্চ) সয়াবিন মিললেও এর সঙ্গে ‘অন্যান্য পণ্য সঙ্গে নিতে হবে’ এমন শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন ডিলার ও পাইকারি বিক্রেতারা। সেই সঙ্গে আছে বাড়তি দামের চাপ।
নগরীর বেশ কয়েকজন মোদি দোকানি ও সয়াবিনের খুচরো বিক্রেতা জানান, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ইস্যুকে সামনে এনে সিলেটে দাম বাড়ানো হয়েছে সয়াবিন তেলের। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এমন অবস্থা। অথচ সিলেটের ডিলার পয়েন্টে তেলের কোনো সংকট নেই।
খুচরো ব্যবসায়ীরা আরও জানান, সিলেটে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করেছে তেল কোম্পানিগুলো। অধিক লাভে তেল বিক্রির জন্য এমনটি করা হচ্ছে। গত কয়েকদিন টাকা দিয়েও কোম্পানিগুলো সয়াবিন সরবরাহ করেনি। বড় বড় দোকানগুলোতে সামান্য পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হয়েছে। ১০ কাটনের অর্ডার করলে দেওয়া হতো ৫ কাটন।
মোদি দোকানদাররা অভিযোগ করে বলেন, আজ (রবিবার) অর্ডার অনুযায়ী সয়াবিন দিলেও কোম্পানিগুলো এর সঙ্গে অন্যান্য পণ্য নেওয়ার শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। ৫ কাটন সয়াবিনের সঙ্গে নিতে হচ্ছেন ৫ বেগ আটা-ময়দাসহ অন্যান্য পণ্য। চাহিদা না থাকলেও জোর করে দিয়ে দিচ্ছে। অন্যতায় সয়াবিন তেল দিচ্ছে না। এছাড়াও সয়াবিন তেলের দাম নিচ্ছে বাড়তি। ৫ লিটারের বডি রেট ৭৯০ টাকা। নিয়ম হচ্ছে- ডিলার পয়েন্টে ৭৬০ টাকা রাখবে, কিন্তু রাখা হচ্ছে বডি রেট।
এ বিষয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম সিলেটভিউ-কে বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে কয়েকদিন থেকে কিছুটা অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। তবে কেউ যদি সিলেটে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করতে চায় তবে আমরা পদক্ষেপ নিবো। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম /ডালিম/এসডি-১৬




