গেল ইউপি নির্বাচনী দ্বন্দ্বে কুলাউড়ায় মতিউর রহমান চৌধুরী (৩৯) নামের এক যুবককে কে বা কারা উঠিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী শিক্ষিকা সাহিদা পারভিন।
বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মতিউর রহমানের স্ত্রী সাহিদা পারভিন বলেন, বৃহস্পতিবার বাদ আসর আমার স্বামী বাড়ির উঠানে গোসল করছিলেন। এ সময় তাদের বাড়ির মেইন গেইটে শব্দ হয়। গেইট খোলা মাত্র মুখবাধা চার থেকে পাঁচ ব্যক্তি জোর করে একটি প্রাইভেট কারে করে তার স্বামীকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখোঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাইনি।
সাহিদা পারভিন বলেন, গেল ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজনের সাথে দ্বন্দ্ব চলছিল তার স্বামী মতিউরের। তাকে উঠিয়ে নেওয়ার পেছনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান (নিখোঁজ মতিউরের আপন ভাই) এম. জিমিউর রহমান চৌধুরী ও আহমদ মাহমুদ্দুজামান ডিপুর হাত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।


সাহিদা আরও বলেন, তার স্বামীকে উঠিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন সাথে ছিল। তাদের তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন। তারা হলেন- সুলতানপুর গ্রামের ছয়ফুদ্দিন জিতুর ছেলে এনাম উদ্দিন (৫২), মৃত রুশন আলীর ছেলে আমিন আলী (৪০) ও তৌফিক খানের ছেলে সাজেল খান (৩৮)।

এ বিষয়ে জানতে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিমিউর রহমান চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায় বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/