হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং লস্করপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরহামুয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলনের নামে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে চরের বালু।

আর এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধসহ শত-শত একর ফসলি জমি। এমতাবস্থায় বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আতঙ্কে দিন-রাত কাটছে চরহামুয়াসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষদের।


তাই এর প্রতিকার ছেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দক্ষিণ চরহামুয়া গ্রামবাসি। শনিবার দুপুরে খোয়াই নদীর বাঁধের উপর এ প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন- এলাকার মুরুব্বি মাস্টার রবিন্দ্র, সাবেক ইউপি সদস্য মুখলেছুর রহমান, মোঃ নুর আলী, মাহবুবুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ কাজল মিয়া ও মাহমুদ হোসনে প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত দক্ষিণ চরহামুয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলনের নামে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে যাচ্ছে চরের বালু। আর এতে করে একের পর এক চরের বিভিন্ন অংশে দেখা দিচ্ছে ধ্বস। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমিসহ গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধ। তাই এখনই যদি চরের বালু তোলা বন্ধ করা না হয় তা হলে বর্ষা মৌসুমে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়বে চরহামুয়াসহ লস্করপুর ইউনিয়নবাসি। তাই এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে লস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো জানান, চরের বালু অথবা মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার কোন বিধান নেই। একটি চক্র প্রভাবকাটিয়ে এমনটি করছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অবগত করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান বলেন, চরের বালু উত্তোলনের ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে ফসমি জমিসহ পুরো ইউনিয়নবাসি। তাই তিনি এখনই এসব কর্মকান্ড বন্ধ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত) নাজরাতুন নাঈম জানান, বিষয়টি আমারা শুণেছি। ইতোমধ্যে আমি সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমিকে পাঠিয়েছিলাম। যদি এমনটা আবারো হয়ে থাকে তা হলে এ বিষয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/জেসি/এসডি-০৩