চীনের কাছ থেকে নেওয়া বাংলাদেশের ঋণ নিয়ে দেশে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ আছে। এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনাও চলমান। মূলত চীনের ঋণের জালে জড়িয়ে শ্রীলঙ্কা দেউলিয়া হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে এ ধরনের আলোচনা চলছে। তবে চীনা ঋণের ফাঁদে বাংলাদেশের জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেছেন, ভূরাজনৈতিক কারণে চীনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের বিষয়ে অনেকের বিরূপ মন্তব্য থাকলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ একদম বিচলিত নয়।
আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
চীন–ভারত নিয়ে টানাপোড়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি না আপনাদের কাছ থেকে মাঝে মাঝে শুনি। আপনারা লিখেন, বাংলাদেশ নাকি চীনের ঋণের ফাঁদে পড়ে যাচ্ছে। পরে দেখি যে একেবারে অলীক কথা আপনারা লিখেন। এটা কারও কারও অভিসন্ধিমূলক হতে পারে।’
বাংলাদেশ ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক এবং যাচাই-বাছাই করে দেখে লাভ হবে কি না, জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সর্বমোট ঋণ অত্যন্ত অল্প এবং এর বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া। বাকি যে দেশ সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে, সেটি হচ্ছে জাপান। চীন থেকে অল্প পরিমাণ ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং সেটি ৫ থেকে ৬ শতাংশ। সেটি নিয়ে সবার মাথাব্যথা। কিন্তু জাপানের কথা কেউ বলে না।’
চীনের ঋণ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের নেতিবাচক মন্তব্যের বিষয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘হয়তো বিশেষ অভিসন্ধি আছে। হয়তো তারা যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে চায়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যখন ঢাকা সফর করেন, তখন আমরা অনেক অর্থের চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু কয়টা হয়েছে, কারণ যখন আসলে হয়, তখন আমরা খুবই হিসাব-নিকাশ করে ঋণ নিয়ে থাকি।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে




