লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের ফায়ারম্যান কাম ফায়ার হাইড্রেন্ট অপারেটর জালালুর রহমান সিকদারকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবুল কাশেম তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জালালুর রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সিলেট তামাবিল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মাহফুজুল হক ভুঁঞা ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর ওই জেলার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
জালালুরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ গ্রামে। তিনি বুড়িমারী স্থলবন্দরের ফায়ারম্যান কাম ফায়ার হাইড্রেন্ট অপারেটর হিসেবে কর্মরত। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নির্বাচনে তামাবিল স্থলবন্দরের ডিডি কঠোরভাবে প্রভাব বিস্তার করছেন, বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য করছেন বলে শোনা যাচ্ছে।’
এই পোস্টটি মিথ্যা, মানহানিকর ও উসকানিমূলক দাবি করে মাহফুজুল হক ভুঁঞা বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি চান। কর্তৃপক্ষ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে অনুমতি দিলে মাহফুজুল হক ভুঁঞা সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী কানন আলম জানান, গত বৃহস্পতিবার সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে জালালুর রহমান সিকদার জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনেন আদালত। জালালুরকে পুলিশের অবগত করার নোটিশ, আদেশের কপি, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চিঠি ও হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে তথ্য গোপন করার বিষয় উপস্থাপন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. আবুল কাশেম জালালুরের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে




