সিলেট বিভাগে প্রায় ৮০ ভাগ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। ‘গ্যাস লোডের অজুহাতে’ তারা এটা করেছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওউনার্স এসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগ। ফলে সিলেট বিভাগে জ্বালানি সরবরাহে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দ্বারস্থ হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেনের। বিষয়টি অবহিত হয়ে অচলাবস্থা নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদকে আধা সরকারিপত্র (ডিও) পাঠিয়েছেন ড. মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী আধা সরকারিপত্র পাঠান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কাছে। আধা সরকারিপত্রের একটি কপি এসেছে সিলেটভিউ২৪ডটকম-এর কাছে।


ওই পত্রে ড. মোমেন লিখেছেন, ‘জালালাবাদ গ্যাস  কর্তৃপক্ষ বিগত কয়েক সপ্তাহে গ্যাস লোডের অজুহাতে সিলেট বিভাগের প্রায় ৮০ শতাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন বিনা নোটিশে বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদে সিলেট বিভাগের বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওউনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিরুজ্জামান চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম আদনানের নেতৃত্বে ফিলিং স্টেশনের মালিকগণ আমার সাথে দেখা করে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন। আকস্মিক এবং বিনা নোটিশে ৮০ শতাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেয়ায় সিলেট বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে এক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এবং জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে তারা জানিয়েছেন। তারা জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করে বিষয়টির যৌক্তিক ও জনবান্ধব সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এবং অবস্থার উন্নতি না হলে তারা হরতাল করতে বাধ্য হবেন বলে জানিয়েছেন।’

‘এই অবস্থায় বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওউনার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক প্রেরিত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অচলাবস্থা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।’

এই আধা সরকারিপত্রের অনুলিপি জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরেও পাঠিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে