শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলের বর্ধিতাংশ পরিদর্শন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০ টায় হলে শিক্ষার্থীদের রিডিং রুম, ডাইনিং, টিভি কক্ষ , শিক্ষার্থীদের থাকার কক্ষ পরিদর্শন করেন তিনি।
একই সঙ্গে 'স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক' ও পরিবেশবাদী সংগঠন তরুপল্লবের উদ্যোগে এবং সৈয়দ মুজতবা আলী হল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আয়োজিত এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য।
বৃক্ষরোপণ ও হল পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আবাসিক হলগুলোকে আধুনিক রূপ দেয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদরকে শতভাগ আবাসিক হলে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
'আমাদের অনেক গরীব শিক্ষার্থী হলের বাহিরে থাকে। তাদের খরচ বেশি হয়। তাদের পরিবারের জন্য কষ্ট হয়ে যায় ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার খরচ যোগাতে। যারা হলে থাকে তাদের খরচ কম।'
উপাচার্য বলেন, যারা হলের বাহিরে থাকে এবং যারা হলে থাকে উভয়েই আমাদের শিক্ষার্থী। তাই বাহিরে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমরা বৈষম্য করতে পারি না। আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদরকে হলে নিয়ে আসার জন্য।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্যও আবাসনের ব্যবস্থা করার কাজ চলছে বলে উপাচার্য জানান।
এদিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ছয়ঋতুর ৫০০ ফুল ও ফলের গাছ সৈয়দ মুজতবা আলী হলের চারপাশে লাগানো হয়েছে।
এজন্য উপাচার্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও তরুপল্লবের প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জানান।
এ কাজে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সৈয়দ মুজতবা আলী হল কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।
এসময় সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবু সাঈদ আরেফিন খান বলেন, হলের সার্বিক দিক আমরা সবসময় খেয়াল রাখছি। হলের শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করছি।
তিনি বলেন, হলের বর্ধিতাংশ উদ্বোধনের জন্য আমরা সম্ভাব্য একটি তারিখ ঠিক করেছি। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো কিছু না ঘটলে সেপ্টেম্বরের ২ তারিখ উদ্বোধন করা হবে। এর পরেরদিন থেকে হলে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদেরকে কক্ষে উঠানো হবে বলে তিনি জানান।
হল পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম, হলের সহকারী প্রাধ্যক্ষ মো. ওয়াছেক মিয়া, এস এম সাইদুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, অভিজিৎ মজুমদার, আসিফ মাহমুদ, মো. আবু বকর সিদ্দিক, হযরত আলী, মাহবুব আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংকের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- সিলেট শাখার ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মুজাম্মেল হক, প্রতীমা বৈরাগী, সাঈদ আহমেদ খান, সৈয়দ মুশফিকুল ইসলাম।
তরুপল্লবের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/এনএম/এসডি-০২




